ঈশ্বরের মেষশাবক মতবাদ

এই পৃথিবীর জন্য ঈশ্বরের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচার.

যা হবার কথা

যা হবার তা প্রত্যেক ক্ষেত্রেই হবে; এটি লিখিত ছিল, প্রত্যেককেই তাদের কাজ দ্বারা বিচার করা হবে; বারো বছর বয়স থেকেই গণণা শুরু হবে সে স্বর্গীয় বিচারের যা ঈশ্বরের অভিপ্রায় থেকে প্রণিত; শুধুমাত্র শিশুরাই এর আওতায় পড়বেনা; ঈশ্বরের এ বিচার তথাকথিত প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনের এক একটি পরীক্ষা; এক মূহুর্তে যা ভাবা হবে তাই হবে অস্তিত্বের সমতুল্য; যেভাবেই ভাবা হোক, এটি একটি অদৃশ্য বা অপ্রত্যাশিত আলোর উপস্থিতি; কেননা ঈশ্বরের কোন সীমা নেই; তাঁর সৃষ্টির ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রচেষ্টার জন্যই তাঁর শাশ্বত প্রস্তাবনা সমুন্নত থাকে। 

লিখেছেনঃ আলফা এবং ওমেগা 

স্বর্গীয় পিতা যিহোবানের টেলিপ্যাথিক আদেশ.-

ভবিষ্যতের গোটানো কাগজসমূহের উপাধি.-

১.- জীবনের পরীক্ষায় অনেকেই তাদের দেয়া কথা রাখতে পারেনা, আর এ অপূর্ণতার কারণেই তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; এমনকি যারা অন্যকে দেয়া কথা রাখলো না, তাদেরকে দেয়া কথাও রাখা হবে না; এ অবিশ্বাস মানবজাতির সহাবস্থানকে তিক্ত করে তোলে; এ অবিশ্বাসের ফলে অনেকে তাদের সাথের মানুষদের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে; জীবনের প্রতিটি অবিশ্বাস অন্যের সম্মানহানির কারণ হয়ে দাঁড়াবে; এ সত্তার পরিমাণ ঠিক জীবদেহে থাকা ছিদ্রের সমান, যা তার নিজের দ্বারাই প্রতারিত; যে সকলের প্রতি মনোযোগী তাঁর পক্ষেই ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করা সম্ভব; তার পক্ষে না, যে অজানা কোন প্রতিশ্রুতির বিরোধীতা করার মত মানসিক প্রতিরোধশক্তি রাখেনি। 

২.- জীবনের পরীক্ষায় অনেকেই বিশ্বের অদ্ভুত সব অবিচারের প্রতিবাদ করেছে, যেগুলো অদ্ভুত স্বর্ণের আইন থেকে এসেছে; অদ্ভুত জীবন ব্যবস্থার প্রতি সব প্রতিবাদ, যা কিনা স্বর্গরাজ্যের কোথাও লেখা নেই, তা সেখানেই বহুগুণে পুরস্কৃত হয়; এ অমরত্ব প্রতিটি মূহুর্তে, যে মূহুর্তগুলোকে সহস্র দ্বারা গুণ করা হবে; কেননা এটি একটি সসমষ্টিগত সংখ্যা; এ প্রতিবাদ কখনো একজনের ছিলনা; কিন্তু এর ফল সবাই পাবে, এ সংখ্যাই হলো মানবতা; যারা জনসমক্ষে প্রতিবাদ করেছে, তারা ঠিক তত পরিমাণ জীবন সাফল্যাঙ্ক পেয়েছে, যত সংখ্যক ছিদ্র সমস্ত মানব জাতির মাংসের মধ্যে রয়েছে। 

৩.- জীবনের পরীক্ষায় অনেকেই সহজ পথ বেছে নেয়; যেগুলো সহজ ছিল তার কোনটাই পুরস্কৃত হয় না; যাকেই সহজ মন হয়, তা কেবল আত্মার তুষ্টি; প্রতিটি মুহূর্ত যার মধ্য দিয়ে আত্মা অতিক্রম করেছে, সেই প্রতিটি মুহূর্তেই নিজেকে উন্নত করার মাধ্যমে জীবন পরীক্ষা গঠিত হয়; এ উত্তেজনাপূর্ণ প্রাচুর্য, আধ্যাতিকতাকে আড়াল করে একে বিভক্ত করে ফেলেছে, তাই কাজের সময় এটা আত্মাকে দূরে সরিয়ে রাখে; কাজই পারে সবচেয়ে আলোকিত রূপের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে; যেহেতু এটা সৃষ্টিকর্তার জগত থেকে এসেছিল; তাদের জন্যই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করা সহজ যারা ঈশ্বরকে অনুসরণ করেছে জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায়; তাদের জন্য নয় যারা ঈশ্বরকে অনুসরণ করেনি।   

৪.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকেই  স্বর্গের দাবির প্রতি উদাসীন ছিল, যা তারা নিজেরাই অনুরোধ করেছিল; সবারই তো পরীক্ষা নেয়া হয়েছে কোন না কোন মূহুর্তে; এই নিয়ম উপলব্ধ হবে, যখন  পরীক্ষামূলক পৃথিবী তৃতীয় মতবাদ জানবে যার মাধ্যমে পৃথিবী যাচাই করা হয়; এবং সবকিছুই সৌর টেলিভিশনে দেখা হবে; স্বর্গীয় গসপেলে যাকে বলা হয় জীবন বই।  

৫.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকেই তাদের পছন্দমত পথ খুঁজেছে; প্রতিটি অন্বেষণই হওয়া উচিৎ ঈশ্বরের বিষয়বস্তু অনুযায়ী, আর এভাবেই আত্মা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; অনুসন্ধানের রীতিতে ঈশ্বরের সামনে অনুসন্ধান সাড়া দেয়; প্রতিটি অনুসন্ধানই স্বর্গীয় জনক যিহোবান কে অভিযোগ করে, যখন তাঁরা ঈশ্বরের প্রতীক ছাড়াই বাদ দেওয়া হয়েছিল; তাদের জন্য এ অন্বেষণ সহজ যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখে, তাদের জন্য না যারা ঈশ্বরকে বিবেচনায় রাখে না। 

৬.- জীবনের প্রতিযোগীতায় অনেকেই বুদ্ধিদীপ্ত অনেক লেখা লিখেছে; প্রত্যেক গ্রন্থকারকেই অক্ষরে অক্ষরে বিচার করা হয়েছে, বিচার করা হয়েছে প্রতিটি বিরতিতে; তারা নিজেরাই নিজেদের বিচারের অনুরোধ জানিয়েছে, সকল কাল্পনিক শক্তি উপেক্ষা করে। 

৭.- জীবনের পরীক্ষায়, যারা অন্যের বিশ্বাসকে অপমান করেছে, প্রতি মুহূর্ত অনুযায়ী  তাদেরকে এর মূল্য দিতে হবে; অন্ধকারের পরিমাণ সেই সময় বিবেচনায় হিসেব করা হবে যতটুকু সময় সেই অদ্ভুত বিশ্বাস ঐ পাপিষ্ঠ এর মধ্যে স্থায়ী ছিল; সেসব অমান্যকারী তাদের স্বভাবের মাধ্যমে পৃথিবীকে বড় সমষ্টিগত অবিশ্বাসের জায়গা হিসেবে পতিত করেছে, যে এটা করেছে তার বিরুদ্ধে একটা সমষ্টিগত বিচার হবে, প্রতিটি তিক্ততা যার মধ্য দিয়ে পৃথিবী অতিক্রম করেছে, সে অনুযায়ী ঐ পাপীকে মুহূর্ত থেকে মুহূর্ত  কিংবা অণু থেকে অণু হিসেবে মূল্য দিতে হবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য পৃথিবীকে সামান্য পরিমাণেও তিক্ত করেনি; তাদের জন্য নয় যারা বিশ্বাস ভঙ্গ দ্বারা নিজেকে প্রভাবিত হতে দিয়েছে।  

৮.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকেই তাদের বিয়েকে ব্যক্তিগত খেয়ালে ভেঙ্গে ফেলেছে, যারা এটা করেছে তারা সে স্বর্গীয় সাবধানবাণী ভুলে গেছে যাতে বলা আছেঃ তুমি কারো প্রতি এমনটা করো না যেমনটা তুমি চাইবে না সে তোমার প্রতি করুক; যারা নিজেকে প্রভাবিত হতে দিয়েছে তারা প্রতি সেকেন্ড অনুযায়ী তার মূল্য দিবে; তাদের মূল্য সে সময় অনুযায়ী গণনা করা হবে যে সময়টা তাদের মধ্যে সেই খেয়াল স্থায়ী হয়েছে; যে সময়টুকু তাদের মধ্যে সে খেয়াল স্থায়ী ছিল সে অনুযায়ী একটি সময় সে স্বর্গরাজ্যের বাইরে কাটাবে; সবকিছুর উর্ধ্বে বিচার, ঈশ্বরের কাছে করা সৃষ্টির অনুরোধ অনুযায়ী এমন হবে; সবকিছুর উর্ধ্বে এর ভেতরে সব ধরণের আণুবীক্ষণিক বিষয়, অণু, ধারণা আর মুহূর্ত অন্তর্ভুক্ত; এটা মূলত তাদের জন্য যারা সব অদ্ভুত খেয়াল দ্বারা নিজেকে প্রভাবিত হতে দেয়নি, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য না যারা অদ্ভুত বিশ্বাসে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছে। 

৯.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকেই অন্যদের প্রভাবিত করেছে; সবকিছুই পরিশেষে বিচার করা হবে; যারা অন্যদের পথভ্রষ্ট করেছে, তারা তাদের দ্বন্দের সমাধান পাবে, ঈশ্বরের স্বর্গীয় বিচারই তা করবে; অন্য এক জগতে তারাই বিশৃংখলায় পড়বে; যারা দ্বন্দ সৃষ্টি করে তাদের চেয়ে যারা একত্রিত থাকে তাদের পক্ষেই স্বর্গে প্রবেশ করা সহজ। 

১০.- যারা অন্যদের বিরক্তির কারণ হয়, তারাও তাদের ফল খুঁজে পাবে পার্থিব এবং পরবর্তী জগতে; তারা তাদের জন্য ঈশ্বরকে অনুরোধ করেছে সেভাবে বিচারের জন্য,  যেমন তারা আইনটি অমান্য করেছে; সেই একই রকম বিপর্যয়ের সাথে, যেগুলি তারা উল্টে দিয়েছে; আত্মার বিচারের এই অনুরোধ, প্রতি মূহুর্তে, প্রতি কণায়; এটা মূলত তাদের জন্য যারা নিজ চাহিদাকে সরিয়ে রেখেছে যেগুলো দ্বারা অন্যের ক্ষতি হবে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য; তাদের কিছু নেই যারা অদ্ভুত বিশ্বাস দ্বারা নিজেকে প্রভাবিত হতে দিয়েছে।  

১১.- জীবন পরীক্ষায়, যারা সময়ের জন্য অনুরোধ করেছিল তাদের জন্য এটি অত্যন্ত মূল্যবান সময় ছিল; প্রতিটি সেকেন্ড একটি ভবিষ্যত এর সমমান ছিল; এমন কিছু মানুষ যারা কিছু না করে সময় কাটিয়েছে, ভবিষ্যতের অস্তিত্বের জন্য তারা একটি অবিচ্ছিন্ন সংখ্যা হারিয়েছে; তারা তাদের সময় উপভোগ করে স্বর্গরাজ্যে তাদের নিজস্ব প্রবেশ পথ বন্ধ করেছে; পিতার রাজ্যে প্রবেশ করতে এমন পরিমাণ আলোর সাফল্যাঙ্ক দরকার ছিল, যত পরিমাণ ছিদ্র তাদের সমস্ত শরীরের মাংসে ছিল। 

১২.- জীবনযাত্রার পরীক্ষায়, অনেকে অন্যদের মেনে চলেছে; যে অন্যকে মেনে চলেছে, তার এটা খুঁজে পাওয়া উচিত ছিল যে, যে আদেশ করেছে তার কথা ঈশ্বরের হুকুমে পূর্ণ কিনা; যারা অন্য অন্ধদের বিশ্বাস করেছে তারা কখনো স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; যারা এসব অমান্যতা চালু করেছে কিংবা তাদের যারা অনুকরণ করেছে, তাদের কেউই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; যারা তাদের আবেগ বা তাদের নৃশংসতার সাথে জড়িত না, তারা ঈশ্বরের রাজত্বে প্রবেশ করবে; এটি এমন কারো জন্য না যারা ঈশ্বরের আইন পূর্ণ করে না। 

১৩.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেকে যাদের শারীরিক অপূর্ণতা ছিল তাদের নিয়ে মজা করেছে; যারা এমন করেছে তাদের সেরকম শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখিন হতে হবে যেসব প্রতিবন্ধীদের নিয়ে তারা মজা করেছিল; জীবন পরীক্ষায় যে অন্যকে নিয়ে তামাশা করেছে, সে অভিযুক্ত হিসেবে ঈশ্বরের বিচারে তত পরিমাণ ঋণাত্মক অর্জন পেয়েছে, সেটা যাকে নিয়ে তামাশা করা হয়েছে তার সবকিছুর অনুরূপ; তামাশাকারীদের কেউই  আর স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; যদি ক্ষুদ্রদের সবাই তাকে ক্ষমা করে দেয়, স্বর্গীয় পিতাও তাকে ক্ষমা করে দেবে; যদি অণুরা ক্ষমা না করে, তবে তাকে ঠিক তত সময় স্বর্গের বাইরে থাকতে হবে যত পরিমাণ অণু তার বিরুদ্ধে নালিশ করবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য নিজের মানসিক ইচ্ছার বিরোধিতা করেছে; তাদের জন্য নয় যারা এ অদ্ভুত অন্ধকারের দ্বারা নিজেকে প্রভাবিত হতে দিয়েছে। 

১৪.- সেই তথাকথিত তৃতীয় বিশ্ব হল ত্রয়ী বিশ্ব; এই বিশ্ব অন্যসব গ্রহের গন্তব্যের প্রধান; যে এখন পর্যন্ত পরিচালনা করেছে, সে শেষ আদেশের ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছে; স্বর্ণের আইন থেকে উত্থাপিত অদ্ভুত পৃথিবী পতন হতে শুরু করবে; যারা তাদের মাংসে তাদের মাংসের পুনর্জীবন পাবে তারা ডাকা শুরু করবে যাদের বিনাশযোগ্য শরীর আছে তাদের; একটি জগত যা ছেড়ে যাচ্ছে আর আরেকটি জগত যা নতুন জন্মলাভ করছে; জীবন পরীক্ষার সমাপ্তি হয়; নতুন জগত সম্প্রসার করা শুরু করেছে। 

১৫.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেক বিশ্বাসী ঈশ্বরের কাছ থেকে যা এসেছে, সেটা তাদের মানানোর জন্য এসেছে বলে মেনে নিয়েছে; ঈশ্বরের যা কিছু সেটার সন্তুষ্টি প্রয়োজন হয় না; এবং স্বীকৃত করার প্রয়োজন নেই, এটা নিজে নিজে প্রসারিত; বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা মানুষের  হয়; ঈশ্বরের যা কিছু তা এমনভাবে সম্প্রসারিত হয় যেন ঈশ্বর নিজেও তা লক্ষ্য করেন না যে তিনি রূপান্তরিত হচ্ছেন; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য ঈশ্বরকে সীমা দিয়ে দেয়নি; তাদের জন্য নয় যারা তাকে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছে। 

১৬.- উন্মোচন এর শুরু যেটা জীবন পরীক্ষা দারা অনুরোধ করা হয়েছিল, সেটা অনেক কুসংস্কারে ভুগেছে; যারা এটা প্রথম পেয়েছে, কিন্তু এটা বুঝতে ভুল করেছে যে এটা মানুষের কাছ থেকে এসেছে; তাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ছিল এটা বাছাই করা যে কোনটা ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে; যারা উন্মোচন দেখেও প্রথম দেখায় তা মেনে নিতে পারেনি, তারা আর কখনো স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; তাদেরকে সেই সময়টুকু সেকেন্ড অনুযায়ী গুনতে হবে, যে সময়টা তারা ঈশ্বরের বিষয়কে মানুষের আওতাভুক্ত বলে মেনে নিয়েছিল; এটি এমন একটি পুনর্বিবেচনার জন্য সম্ভবত, যাদের কাছে এটি গ্রহণ করার সময় এসেছে কিন্তু তারা সেটা অস্বীকার করেনি, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য; তাদের জন্য নয় যারা অস্বীকার করার সিদ্ধান্ত দ্বারা নিজেকে প্রভাবিত করতে দিয়েছে। 

১৭.- স্বর্গীয় অর্জন যা সবাই অনুরোধ করেছিল, সেটা মানব মস্তিষ্ক এখন কল্পনাও করতে পারবে না; অদ্ভুত জীবন পদ্ধতি যা স্বর্ণের আইন থেকে এসেছে তা সে নীতিকে নষ্ট করেছে; নষ্ট করা আলোর সাফল্যাঙ্ক দ্বারা জীবন পরীক্ষা তার নিজের ভেতরে আরেক পরীক্ষা শুরু করেছে; এটা ক্ষুদ্র পুরষ্কার দ্বারা শুরু হয়েছিল; যা  মুহূর্ত অনুযায়ী আস্তে আস্তে আরও ছোট হয়ে গেছে; এটা সেই কারণের জন্য যা লেখা আছেঃ শুধুমাত্র শয়তান নিজেকে সহ সবকিছু ভাগ করে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য কোন প্রকার ভাগ দ্বারা নিজেকে প্রভাবিত হতে দেয়নি; তাদের জন্য নয় যারা নিজের মানসিক প্রবণতাকে অস্বীকার করতে পারেনি। 

১৮.- যারা ঈশ্বরের মেষপালের উন্মোচনের কথা অস্বীকার করেছে, তারা আবার স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; তারা তাদের নিজস্ব পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে, স্বর্গরাজ্যে যা অনুরোধে করা হয়েছিল; তাদের জন্য পরীক্ষা ছিল মেনে নেওয়ার মধ্যে; সবাই যেটা তারা জানতো না, তাকেই তারা অস্বীকার করেছে; যারা তাড়াহুড়ো করে যাচাই করেছে, তাদের করুণ অবস্থা হয়ে দাঁত বিগড়ে যাবে, প্রতিটি ভুল যাচাইয়ের জন্য যেগুলো আগে থেকেই ভাল যাচাই করা ছিল; এটা মূলত তাদের জন্য যারা অনুসন্ধানের দ্বারা যাচাই করেছে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা তাড়াহুড়ো করে যাচাই করেছে। 

১৯.- যারা অন্যান্যদের জাতীয়তা ছিনিয়ে নেয়ার স্বেচ্ছাচারিতা দেখিয়েছে, তাদেরকে আর স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে দেয়া হবেনা; দেশ যেটা সবাই ঈশ্বরকে অনুরোধ করেছিল, তা সমস্ত গ্রহকে অন্তর্ভুক্ত করে; গ্রহের অণুগুলি  ঈশ্বরের পুত্রের সম্মুখে নালিশ করবে, যে অনেক মানবজাতির কাছে তারা সাধারণ হিসাবে বিবেচিত হয়নি; সাধারণ যেগুলো সেগুলো স্বর্গরাজ্যে প্রত্যেকের দ্বারা অনুরোধ করা হয়েছিল; কেউই খামখেয়ালি হতে কিংবা অন্যের কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নিতে অনুরোধ করেনি; এটা মূলত তাদের জন্য যারা সমস্ত গ্রহকে নিজের দেশ বলে মেনে নিয়েছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা নিজেকে এর অংশ হিসেবে ভেবেছিল; পরের মানুষগুলো একটি সীমাহীন আলোর সাফল্যাঙ্ক হারিয়েছে যা পার্থিব আণবিক অর্জন নামে পরিচিত; যাদের অনন্ত সাফল্যাঙ্ক হয়তো তাদের স্বর্গে প্রবেশ করার পথ দেখিয়ে দিতো; এটা বিশ্ব পরীক্ষায় লিখিত ছিল যে শুধুমাত্র শয়তান নিজেকে সহ অন্যদের ভাগ করে। 

২০.- উদ্ধৃতি চিহ্নের মনোবিজ্ঞান, যে সব সত্ত্বেই সন্দিহান তা একটি উত্তেজনামূলক মনোবিজ্ঞান; যেহেতু ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হিসাবে প্রতিটি সন্দেহের সৃষ্টিকর্তা তারা হতে পারে, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারে না; তারা না যারা তাদের ভাব প্রকাশের মধ্যে উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহার করেছে, জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, তারা আর স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না;  যারা পরীক্ষার বিশ্বব্যাপী পিতামহের সংবাদ জানাতে উদ্ধৃতি চিহ্নগুলি ব্যবহার করেছে, তাদের কেউও স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না;  এটি অনাবৃত এবং অজ্ঞেয় এমন ব্যক্তিদের জন্য আরও বেশি কিছু, স্বাভাবিক কিছু হিসাবে যারা সেসব মেনে নিয়েছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য: বরং তাদের জন্য না যারা বিশ্বাসে সন্দেহ রাখে।  

২১.- পৃথিবীর তথাকথিত প্রকাশকদের দ্বারা, ঈশ্বরের মেষশাবকের উন্মোচন প্রচার, কোন তিল পরিমাণ সন্দেহ ছাড়াই গৃহীত হওয়া উচিত ছিল; ঈশ্বরের কোনকিছুকে মানুষের বলে মনে করার মাধ্যমে তারা ঈশ্বরের পক্ষ হতে সমুচিত বিচারের জায়গা করে দিয়েছিল; কোন বাণীর আগমনের সময় তা থেকে অসচেতন না হওয়াতেই জীবন পরীক্ষা গঠিত হয়েছিল; কারণ এটা মানব আত্মা দ্বারা স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করা হয়েছিল যেসব বাণী পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছিল; এটা মূলত সেসব প্রকাশকের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য সব বাণীকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাণী হিসেবে মেনে নিয়েছিল; পিতার কাছ থেকে যাওয়া কোন বাণীকে ছোট করার মাধ্যমে তাকে ছোট করা হয়েছে; যা কিছু স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করা হয়েছিল তার কিছুই কেউ একক বলে মেনে নেয়নি; তারা সেসবকে সাধারণ বলে মেনেছিল, যা পৃথিবী থেকেই এসেছিল; তারাও সাধারণ কোন মূল্যায়নই অর্জন করবে।  

২২.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেকগুলি লঙ্ঘন এবং বহির্বিশ্বে অনেক ধরনের অন্যায় সংগঠিত হয়েছিল; তাদের সমস্ত সৌর বার্তায় দেখতে পাওয়া যাবে, এটাকে জীবন বইও বলা হয়; কোনকিছুই বিচারের বাইরে থাকবে না; সৎ ও অসৎ এর মধ্যে যুদ্ধের জন্য সবাই অনুরোধ করেছিল; পবিত্র বিচার হবে মুহূর্ত থেকে মুহূর্ত অনুযায়ী; ধারণাগুলি কি হতে পারে, এক সেকেন্ডের ব্যবধানে বের করা হয়েছে এমন ধারণাগুলিও একই বিচার গ্রহণ করবে; এটি বারো বছর বয়স থেকে শুরু হয়; শিশুদের কোন বিচার নেই; তারা ভাগ্যবান।  

২৩.- প্রত্যেক অদ্ভুত অপেক্ষা যেটাতে স্বর্গীয় পিতা যিহোবানের গুপ্তচরবৃত্তি স্থায়ী হয়েছিল, তা সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে; সময়ের সাথে সাথে পবিত্র পিতা থেকে দূরের গ্রহে প্রেরিত বাণী, কেউ কেউ এক সেকেন্ডের জন্য হলেও অস্বীকার করেনি; জীবন পরীক্ষায়, সবাই প্রতিজ্ঞা করেছিল যে ঈশ্বরের কাছ থেকে প্রেরিত বাণী তারা দেখা মাত্রই চিনে ফেলবে; যারা দেখা মাত্রই ঈশ্বরের বিষয়বস্তুকে মেনে নিয়েছিল, তারা সাথে সাথেই সীমাহীন আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করবে; যারা ঈশ্বরের বিষয়কে বিলম্বিত করেছিল তারা যেন তাদের নিজেদের আলাদা করে ফেললো। 

২৪.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেকে বিভিন্ন উপায়ে সত্য অনুসন্ধান করে; রহস্যপূর্ণতার দ্বারা অনুসন্ধান করা সত্য, স্বর্গ রাজ্যের সত্য নয়; স্বর্গরাজ্যে কিছুই রহস্যপূর্ণতার দ্বারা করা হয়নি; সবচেয়ে বড় খোঁজ সে কাজে হয়েছিল; যে কাজ দ্বারা সবকিছুর সৃষ্টিকর্তার উপাসনা করা হয়েছিল; এ কাজের সমান বলতে আর কিছু নেই; ঈশ্বরের দর্শন তারা তাদের কাজের মাধ্যমে নিজের শরীরে স্থায়ী করেছিল; পিতাই মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় কর্মী; স্বর্গীয় সবকিছুতে সমন্বয় সাধন ও তাদের বিনাশ রক্ষা করাই তার কাজ; যারা তাকে অনুসরণ করেছে, তারাই অনুকরণের সাফল্য অর্জন করেছে, যা কিছু ঈশ্বরের ছিল; এটা বলা হয়েছিল যে ঈশ্বরের কিছুর সীমানা নেই, তেমনি সে অর্জনেরও কোন সীমা নেই।  

২৫.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে অনেক অনুসন্ধান ছিল, একজনকে কোনটা পৃথিবীর আর কোন পৃথিবীর বাইরে তার মধ্যে যাচাই করার ক্ষমতা রাখতে হতো, যা কিছু এ বিশ্বের তা সব কিছু ক্ষণস্থায়ী, যা কিছু এ জগতের সবকিছুর উর্ধ্বে তা গ্রহ থেকে গ্রহে চিরস্থায়ী হয়; জীবন পরীক্ষায় একজন মানুষ যেভাবে ভেবেছে, তেমনটি তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে হবে; যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেকে সীমিত রাখে, তারা সীমিত হবে; যাদের বিশ্বাস সীমাহীন তারাও সীমাহীন হবে; একজন যেভাবে ভেবেছে তার জন্য স্বর্গ সেভাবে তৈরি হয়েছে; যারা কিছুই ভাবেনি তারা কিছুই পাবেনা; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে বিশ্বাস করে সেখানে যেতে চেয়েছে; তাদের জন্য নয় যারা বিশ্বাস করেনি।  

২৬.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, কলঙ্ক বিশ্বের সব জায়গায় বিস্তৃত হয়েছে; প্রতিটি স্থানে যে একটি কলঙ্ক ছিল তা সৌর দর্শনে দৃশ্যমান হবে; পরীক্ষার বিশ্ব দেখানো হবে, দৃশ্য এবং তাদের অভিনেতাসহ; কলঙ্ককারীদের কেউই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; কলঙ্কের সময়টুকুর প্রতি সেকেন্ড সময় অনুযায়ী কলঙ্ককারীকে স্বর্গের বাইরে থাকতে হবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা সহজ সরল থেকেছে; তাদের জন্য নয় যারা কলঙ্কিত হয়ে গেছে।  

২৭.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, সেখানে অনেক সন্দেহভাজন সত্ত্বা ছিল; জীবন পরীক্ষায় যা কিছুই সন্দেহপ্রবণ ছিল তার সবকিছুই সৌর টেলিভিশনে দেখানো হবে; সন্দেহের কিছুই মানব বিবর্তনে হারিয়ে যাবেনা; যারা সে সন্দেহে থেকেছে তাদের সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড অনুযায়ী সে সময় গণনা করতে হবে, যে সময়টুকুতে সন্দেহ স্থায়ী ছিল; একেকটি সময় অনুযায়ী সে কর্মীকে স্বর্গের বাইরে একেকটি সময় কাটাতে হবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা সন্দেহের দ্বারা নিজেকে প্রভাবিত হতে দেয়নি, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা সন্দেহের জন্য অনুরোধ করেছিল।  

২৮.- অনেকগুলো অবিচার ছিল, জীবনের পরীক্ষায়; প্রতিটি অবিচার সৌর দর্শনে দেখতে পাবে; এই দর্শন সময় সময় যে কতিপয় কার্যধারার ঘটনার সাথে জড়িত সেগুলি দেখতে পাওয়া যাবে; টেলিভিশন বক্তৃতা দেয় এবং দর্শকদের কাছে নিজেকে প্রকাশ করে; কিছুই ঈশ্বরের পুত্রের কাছে অসম্ভব হবে না; এটা ঈশ্বরের বাণীতে লিখিত ছিল: এবং তিনি মহিমান্বিত এবং গৌরবময় হয়ে আসবেন। 

২৯.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেকেই অনেক কিছু দেখেছে যা তাদের কখনোই দেখতে পাওয়ার কথা না; তাদের যা দেখতে পাওয়ার কথা ছিল  তা কেবল একটি মানসিক দর্শন থেকে আসা উচিত ছিল; জীবন পরীক্ষা গঠিত হয় সব ধরণের পথে একত্রিত হওয়ার মাধ্যমে; স্বর্গরাজ্যের একক সমতাকে অনুকরণ করার মাধ্যমে; ঈশ্বরের কোন কিছুই মানুষকে ভাগ করেনা; জীবন পরীক্ষা যে ভাগ করা শিখেছিল, সেটা তাদের দ্বারা তৈরী করা হয়েছিল যারা এ অদ্ভুত জীবন পদ্ধতি বানিয়েছে; যেটা স্বর্ণের আইন থেকে সৃষ্টি হয়েছে। 

৩০.- একজনের ফলাফল ভাগ করার পদ্ধতি তার মানসিক ভারসাম্যহীনতার সমান, যা জীবন পদ্ধতির স্বর্ণের আইন থেকে এসেছে; সে অনুভূতি যা সবাই স্বর্গরাজ্য থেকে পেয়েছে এবং যেটা স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করা হয়েছিল, সেটা অণু থেকে অণু অনুসারে যাচাই করা হবে; বস্তুর ঘনিষ্ঠতা চূড়ান্ত বিচারের দিন আকুতি জানাবে; তাদের আকুতির মূল্য চিন্তাময় আত্মাকে দিতে হবে।  

৩১.- যে এক বিন্দু পরিমাণ ময়লা পরিষ্কার করলো, সে একটি জীবন সাফল্যাঙ্ক অর্জন করলো; সে এমন একটি অস্তিত্ব অর্জন করলো যা নিয়ে সে ঈশ্বরের সামনে যেতে পারবে; যে পার্থিব জগত থেকে যে ময়লা পরিষ্কার করলো তাকে সে ময়লার অণুর পরিমাণ অনুযায়ী পুরষ্কার দেওয়া হবে; পৃথিবীর ময়লা পরিষ্কারকারীরা তত অণু পরিমাণ আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করবে যত পরিমাণ ময়লা তারা পৃথিবীতে তাদের জীবনে পরিষ্কার করেছে; যেহেতু ময়লা পরিষ্কার করা সমাজসেবার কাজ, প্রতিটি অণুকে এক হাজার দিয়ে গুণ করা হবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য পৃথিবীতে ময়লা সংগ্রাহকের কাজ করেছে; তাদের জন্য নয় যারা ময়লা রাস্তায় ছুড়ে ফেলেছে। 

৩২.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেকে যারা ঈশ্বরের মেষরাশীর সম্পর্কে জানতো, তারা তাদের নিজস্ব বিশ্বাসের রূপকে অনুসরণ করেছে; জীবন পরীক্ষা ঈশ্বরের বিষয়বস্তুকে একক জেনে তা সবকিছুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলে মেনে নেওয়ার মাধ্যমে গঠিত হয়, জীবন পরীক্ষার যেকোন মুহূর্তে; এই মেনে নেওয়াটা হতে হবে তৎক্ষণাৎ; যারা মেনে নিতে পারেনি তারা আর কখনো স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না, যদিও তারা মেনে নিতেই স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করেছিল; যেহেতু স্বর্গীয় বাণী ঈশ্বরের সামনে তার নিজস্ব প্রকাশ করার নিয়মে জবাবদিহিতা করে; এবং সেই বাণী যেহেতু ঈশ্বরের সামনে কথা বলে, তাই সে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যারা সেটাকে মেনে নিতে নারাজ ছিল; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্য থেকে প্রেরিত বাণীতে বিশ্বাস করেছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য।  

৩৩.- জীবনযাত্রার পরীক্ষার মধ্যে, অনেকে পবিত্র বাণী সম্পর্কে নিজের দায়বদ্ধতার ওয়াদা করেছিল, যা তারা স্বর্গরাজ্যে  অনুরোধ জানিয়েছিল; এবং তারা এটি পূর্ণ করেনি; তারা স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ না করে অন্যকে অপেক্ষায় রাখে; তাদেরকেও স্বর্গীয় বিচারের চূড়ান্ত দিনে এমনভাবেই অপেক্ষায় রাখা হবে; ঈশ্বরের বিষয়কে যারা অপেক্ষায় ফেলেছিল, তাদেরকেও সে অনুযায়ী একটি সময় স্বর্গরাজ্যের বাইরে কাটাতে হবে; যা কিছু ঈশ্বরের তার কোন সীমা নেই; জীবন পরীক্ষায় আসার আগে এটা সবাই জানতো; কোন একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মানসিক প্রচেষ্টার বিপরীতে সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা তাকে একটি অনন্ত সময়ের স্থায়িত্ব দেয়; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে দেয়া তাদের কথা রেখেছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা জীবন পরীক্ষায় সে ওয়াদা ভুলে গিয়েছিল। 

৩৪.- যে নির্বাচনের স্বাধীনতার মাধ্যমে রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি, রাজা বা পরিচালককে নির্বাচিত করেছেন, এবং অন্য যে একজন একই অর্জন করতে চেষ্টা করেছে কিন্তু কোন শক্তির বলে আকর্ষিত হয়ে, এদের দুজনের মধ্যে প্রথমজন স্বর্গরাজ্যের কাছে থাকবে; আর দ্বিতীয়জন নিন্দার নিয়মের আওতায় আছে; নির্দোষ মানুষের উপর শক্তির প্রয়োগ সবচেয়ে বড় অন্যায়; কেউই কোন কল্পনাযোগ্য ভঙ্গিতে শক্তির প্রয়োগের কথা ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ করেনি; সবাই ভালবাসার নিয়মের জন্য অনুরোধ করেছিল। 

৩৫.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেক সত্য অনুসন্ধানে বিভিন্ন অংশে ভাগ হয়েছে; স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করা মূলত একটি একত্রিত খোঁজের মাধ্যমে হয়; কোন বিচ্ছিন্ন খোঁজের মাধ্যমে নয়; পৃথিবীর আত্মিকদের উচিত ছিল যেকোন একটু মূলে একত্রিত হওয়া; জীবন পরীক্ষায় যেকোন আত্মিক খোঁজ যা একাত্মতার খোঁজ করে না, অদ্ভুত ভাগাভাগির মত করে নিজের মত রয়ে যায়, সেগুলো অদ্ভুত স্বর্ণের আইন থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে; সবাইকেই জানা উচিত ছিল যে শুধু শয়তান ভাগাভাগি করে; অদ্ভুত জীবন পদ্ধতি স্বর্ণের আইন থেকে জন্মেছে যা শয়তানের মধ্যে গঠিত হয়েছে, যেহেতু এর পরিচালনা ছিল বিভাজনের মাধ্যমে; এটা মূলত তেমন একটি বিশ্বাসের জন্য যেটা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য সব উদ্ভট বিভাজনের আওতামুক্ত থেকেছে; তাদের জন্য নয় যারা তা এড়িয়ে যেতে পারেনি। 

৩৬.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেকে তা দেখেছে যা তারা  স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করেনি; কেউই ঈশ্বরের কাছে অনুচিত কিছু দাবি করেনি; যেগুলো অযৌক্তিক সেগুলো অদ্ভুত জীবন পদ্ধতির মাধ্যমে উৎপত্তি লাভ করেছে, যা কেউ স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করেনি; সবাই সবার জন্য সমতা অনুরোধ করেছে; এটা স্বর্গীয় গসপেলে শেখানো হয়েছে; মানুষ যখন জীবন পদ্ধতি বানিয়েছে, তখন জগতের মানুষ মোটেও ঈশ্বরকে বিবেচনায় নেয়নি; এটা মূলত সেসব মানুষদের জন্য যারা জীবন পদ্ধতি বানানোর সময় ঈশ্বরকে আমলে নিয়েছে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা ঈশ্বরকে ভুলে গিয়েছিল। 

৩৭.- জীবন পরীক্ষায়, অনেকে যাদের দারা উপকৃত হয়েছিল তাদের প্রতি কোন না কোনভাবে অকৃতজ্ঞ থেকেছিল; এরকম অকৃতজ্ঞদের সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড, অণু থেকে অণু, পরমাণু থেকে পরমাণু ও ধারণা থেকে ধারণা অনুযায়ী মূল্য দিতে হবে; তারা  তাদের নিজেদের এমন অন্ধকার দ্বারা প্রভাবিত হতে দিয়েছিল, এমন প্রভাব থেকে বাঁচতে নিজের মানসিক প্রবণতার বিরোধিতা করেনি; এটা মূলত তাদের জন্য যারা জীবন পরীক্ষায় নিজের মানসিক প্রবণতার বিরোধিতা করেছিল এবং অদ্ভুত সে প্রভাব থেকে রক্ষা পেয়েছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা এটা সম্পর্কে কিছু করেনি। 

৩৮.- জীবনযাত্রার পরীক্ষার মধ্যে, যারা স্বর্গীয় বাণী দেখার ক্ষেত্রে প্রথম হয়েও পিতা যেহোবাহর সংবাদকে অপেক্ষায় রেখেছে; প্রতিটি অযৌক্তিক অপেক্ষা ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র সময় অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে; জীবন পরীক্ষায় কেউ এক সেকেন্ডের জন্যেও ঈশ্বরের বিষয়বস্তুকে অপেক্ষায় রাখার কথা বলেনি; যারা এক সেকেন্ডের জন্যেও এটাকে অপেক্ষায় রেখেছে, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; তারাও ঈশ্বরের বিচারে বিলম্বিত হবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য ঈশ্বরের বিষয়বস্তু তৎক্ষণাৎ মেনে নিয়েছিল; তাদের জন্য নয় যারা ঘুমিয়ে পড়েছিল। 

৩৯.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেকে বাসস্থান বানিয়ে সেটাতে জীবন পার করেছে; সেখানে অন্য কাউকে বাস করতে দেয়নি; এরকম স্বার্থপরতা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সময় অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে; স্বার্থপরদের সবটুকু সময় সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড অনুযায়ী গণনা করা হবে, যে সময়টা তাদের মধ্যে সে স্বার্থপরতার অন্ধকার স্থায়ী ছিল; প্রতিটি একক সময়ের জন্য তাদের একটি সময় স্বর্গরাজ্যের বাইরে কাটাতে হবে; এটা মূলত তাদের জন্য যাদের কোনকিছুর প্রাচুর্য ছিল না; তাদের জন্য নয় যাদের অদ্ভুত ও সন্দেহজনক প্রাচুর্য ছিল। 

৪০.- জীবনের পরীক্ষার মধ্যে, অনেকে ঈশ্বরের মেষশাবকের লিখিতপত্র দেখেছে, কিন্তু নিজেদের বিশ্বাসে থেকে গেছে; তাদের স্বাধীন ইচ্ছা ছিল; কিন্তু তারা তাদের নিজেদের খেয়ালে থেকে গেছে; তারাই ঈশ্বরের কাছে বলেছিল যে, ঈশ্বরের বাণীকে জীবিত মতবাদে গ্রহণ করবে; যারা নিজেদের মত করে সব বানিয়ে নিয়েছিল, তারা সেগুলোর সাথেই বিলীন হয়ে যাবে; যারা ঈশ্বরের থেকে যাওয়া বিষয়বস্তুতে প্রাধান্য দিয়েছিল, তারা ঈশ্বরের সাথে যাবে; জীবন পরীক্ষায়, একজনকে জানতে হবে যে সে কোনটাকে বাছাই করবে।

৪১.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে ঈশ্বরের গসপেলের বাণীকে বিভ্রান্ত করে ফেলে, অনেক অদ্ভুত রকমের বিশ্বাস; সব ধরণের বিশ্বাস, জীবের স্বাধীন ইচ্ছা থেকে আসে, যারা ঈশ্বরের পক্ষে  অপেক্ষা করেছিল কোন পবিত্র রায়ের জন্য, এটাই অন্যদের দ্বারা শিক্ষালব্ধ বিশ্বাসের সঙ্গে সচেতন হওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল, পরীক্ষার এই বিশ্বে সবচেয়ে বড় অন্ধত্ব হলো অনুধাবন না করা, সেই বিশ্বাসটি স্বয়ং জীবন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কযুক্ত ছিল; সবাই ঈশ্বরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, বস্তুগত ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় করতে; কেউই কোন কল্পিত পদ্ধতিতে  ভাগ অথবা বিভাজনের অনুরোধ করেনি; সবাই জানতো, শুধুমাত্র শয়তান পবিত্র পিতা যেহোবাহ কে বিরোধিতা করার জন্য আলাদা হয়েছে; কেউ ঈশ্বরকে অনুরোধ করেনি, শয়তানকে অনুকরণ করতে, সবাইকে জানানোর জন্য যে শয়তানকে অনুসরণকারীদের সবাই আর কখনো স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না। 

৪২.- জীবনের পরীক্ষায় যে প্রতিটি সমষ্টিগত কাজ সম্পন্ন করা হয়, সেগুলো খুব উঁচু মানের আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করে; যা কিছু সমষ্টিগত সেগুলো পবিত্র সমতা অনুসরণ করেছে, যেগুলো পবিত্র পিতা যেহোবাহ দ্বারা শেখানো; এগুলো মূলত তাদের জন্য যারা কাজ করে গেছে, অন্যের জন্য ভেবেছে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; এরপর তাদের জন্য যারা কাজ করে গেছে, শুধু নিজেকে ঘিরে ভেবেছে, যেগুলো স্বতন্ত্র সেগুলো শুধু ব্যক্তিগতভাবে সীমাবদ্ধ; যেগুলো সমষ্টিগত সেগুলো অনন্তগুণে বৃদ্ধি পেতে থাকে; যেগুলো সমষ্টিগত ও সাধারণ সেগুলো ঈশ্বরের; যেগুলো স্বতন্ত্র সেগুলো আত্মার; প্রতিটি সমষ্টিগত কাজ চূড়ান্ত বিচারে প্রতিনিধিত্ব করবে, দানশীলতার সবচেয়ে ভাল রূপ হলো যেগুলো আত্মার অন্তঃস্থল থেকে আসে।  

৪৩.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অন্যদের শিক্ষা দিতে সাহায্য করে, কোন একটি অথবা অন্য ধরণের বিশ্বাসের মাধ্যমে; পরীক্ষার এই জগতে বিশ্বাসের প্রথম ধরণ, পবিত্র পিতা যেহোবার দ্বারা প্রণিত পবিত্র গসপেল এর পবিত্র মনস্তত্ত্ব যা পূর্বে ছিল এবং এখন আছে; প্রতিটি আত্মার স্বতন্ত্র ব্যাখ্যা, যে জীবন পরীক্ষার অনুরোধ করেছিল, সেগুলো পবিত্র চূড়ান্ত পরীক্ষায় বিবেচিত হবে; এগুলো মূলত তাদের জন্য যারা নিজেদের বিশ্বাসের ধরণে ঈশ্বরের বিষয়ে প্রাধান্য দিয়েছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; মানুষের বিষয়গুলোকে যারা অনুরকরণ করেছিল তাদের মত নয়।  

৪৪.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকের অন্যদের থেকে বেশী ছিল; যাদের বেশী আছে, তারা আলোর সাফল্যাঙ্ক কম পাবে; একটি অসম পৃথিবীতে, অনুধাবনের দ্বারা জীবন পরীক্ষা গঠিত হয়, যদি ঈশ্বরের নিয়ম ভঙ্গ যেকোন একজনের দ্বারা সংগঠিত হয়, তবে প্রতিটি বিচার সেই একজনের কাছ থেকে প্রথম আসা উচিত; কোন উদ্ভট ভুলে না পড়তে, আপনার ভাইয়ের চোখে কিছু না দেখে, আপনার নিজের মধ্যে আলোকরশ্মি থাকুক। 

৪৫.- জীবনের পরীক্ষায় একটি মা যে তার সন্তানদের নিজে লালন পালন করেছে আর অন্যদিকে একটি মা যার সন্তানদের অন্য কেউ বড় করেছে, তাদের মধ্যে প্রথমজন ঈশ্বরের রাজ্যের কাছাকাছি আছে; স্বর্গরাজ্যে পবিত্র অনুরোধের মাধ্যমে সে সরাসরি স্পর্শে আছে; কোন এক সেকেন্ডের জন্য হলেও প্রথম মায়ের দ্বারা মাতৃত্বের কর্তব্য অবহেলিত ছিল না; এটা মূলত তাদের জন্য যারা জীবনের পরীক্ষায় খাঁটি মা হওয়ার জন্য মনস্থির করেছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের মত নয় যারা অন্যের সাহায্য নিয়ে এটা করেছিল যারা তাদের জন্য স্বর্গরাজ্যের অনুরোধ করেনি। 

৪৬.- জীবন পরীক্ষার সময়ে যাদের মুখ ফিরিয়ে নেয়ার উদ্ভট অভ্যাস ছিল, মাংসের লক্ষ কোটি ছিদ্র থেকে তাদের সুমুচিত বিচার হবে, মাংসের শরীর এবং আত্মা সাধারণ ও প্রাকৃতিকভাবে পূরণের জন্য ঈশ্বরকে অনুরোধ করেছিল; কেউই তার নিজের জন্য  বা অন্যের জন্য মেকি কিছু চায়নি; সবাই জানতো মেকি সবকিছু ক্ষণস্থায়ী এবং এটা ঈশ্বরের পক্ষ হতে সমুচিত বিচারের জন্য উন্মুক্ত থাকবে; মানুষের জীবন পরীক্ষায় যা কিছু মেকি, উদ্ভট ও অপরিচিত জীবন পদ্ধতি থেকে আসে, যেগুলো স্বর্গরাজ্যে লিখিত নেই; যা কিছু সাধারণ ও প্রাকৃতিক সেগুলো স্বর্গরাজ্য থেকে আসা; এগুলো মূলত তাদের জন্য যারা জীবনের পরীক্ষায় সে রাজ্যের অনুসরণ করেছে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তারা নয় যারা এমন কিছু অভ্যাসের অনুকরণ করেছে যেগুলো ঈশ্বরের রাজ্যে লিখিত নেই। 

৪৭.- জীবন পরীক্ষায়, অনেকে সে পরীক্ষাকে আরও অসহনীয় করে ফেলে; তাদের উদ্ভট ও স্বার্থপর স্বভাবের মাধ্যমে;  তাই এগুলো সেই তথাকথিত সব বণিক যারা পৃথিবীর সময়ে তৈরি হয়েছে, অদ্ভুত পৃথিবী যেটা ঈশ্বরের আজব নিয়মের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে,  তাদের তিন নীতি বিরুদ্ধতা রয়েছে, তাদের বণিক হওয়ার উদ্ভট ইচ্ছার পেছনে; এর মধ্যে প্রথমটা তার নিজ ইচ্ছাই; দ্বিতীয়টা হলো পৃথিবীর কি প্রয়োজন হবে সেটার মূল্যায়ন করা; তৃতীয়টা হলো বিনিয়োগকারীদের চেয়ে বেশী ব্যক্তিগত লাভ; এবং এসব একেকটি অন্ধকারের বিপরীতে প্রত্যেক বণিককে তিনগুণ মূল্য দিতে হবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা তাদের অনেক পরিপূর্ণতা থাকার পরেও কর্মী হওয়ার পথ বেছে নিয়েছে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা বণিক হতে চেয়েছে। 

৪৮.- যারা পবিত্র পিতা যেহোবাহর স্বাধীন ইচ্ছা থেকে আসা পবিত্র দৈববাণীকে সাহায্য করেছে, যেন তা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যেতে পারে, তারা ততগুলো আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করেছে যত সংখ্যক সেকেন্ড, অণু, ধারণা তারা ব্যবহার করেছে; এই আলোর সাফল্যাঙ্ক হলো সবচেয়ে বড় সাফল্যাঙ্ক যা তাদের জীবনে তারা অর্জন করেছে; ঈশ্বরের কাছ থেকে যা আসে তা সীমাহীন; তার স্বর্গীয় পুরষ্কার অপরিসীম; এটা মূলত তাদের জন্য যারা দৈববাণীর সম্মুখীন হয়েছে, স্বেচ্ছায় সেটার সেবা করেছে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা পবিত্র পিতা যেহোবাহ থেকে আসা বাণীর প্রতি অনিচ্ছুক ছিল যদিও তাদের সমান সুযোগ ছিল। 

৪৯.- জীবন পরীক্ষায়, সবাই তাদের জীবনকে স্তরে স্তরে উপভোগ করেছে; স্বর্গীয় বিচারও তেমন স্তরে স্তরে হবে; মানব আত্মার দ্বারা কৃত প্রত্যেক কাজে, ব্যক্তি নিজস্বতা ছাপিয়ে সবকিছু সর্বদা উপস্থিত থাকে; ধারণা থেকে ধারণা যা কিছু আত্মা করেছে, রক্ত মাংসের শরীরের প্রতিটি কোষে তা গেঁথে থাকে; ১২ বছর বয়স থেকে শুরু করে ঈশ্বরের দ্বারা মূল্যায়ন শুরু হয়, মূল্যায়ন হয় কোষ ও ধারণা সব এক রকম; ঈশ্বরের অংশে নিষ্পাপদের মূল্যায়ন বিচার হয় না। 

৫০.- জীবন বিচারে, একজনকে আলাদা করতে জানতে হবে জীবন পরীক্ষায় তাদের প্রতি কি দেয়া হয়েছিল এবং ঈশ্বরের কি ছিল; এটা এমন যে জীবন পরীক্ষার জন্য এটা লেখা হয়েছিলঃ তুমি কোন চিত্রের, আশ্রম কিংবা এরকম কিছুর আরাধনা করতে পারবে না; যারা ঈশ্বরের পবিত্র বিসর্জন ছিল, তারা যতক্ষণ সে চিহ্ন ধারণ করেছিল, প্রতিটি সময়ের প্রতিটি সেকেন্ড অনুযায়ী তারা আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করেছে; যারা এটা ধারণ করেনি তারা কোন ধরণের আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করেনি; এই অর্জন একেকটি বিশ্বাসের অর্জনের অনুরূপ যা ঈশ্বরের স্বাধীন ইচ্ছা থেকে এসেছে। 

৫১.- জীবন পরীক্ষায় হওয়া প্রতিটি অদ্ভুত অপেক্ষা, স্বর্গীয় চূড়ান্ত মূল্যায়নে যাচাই হয়; আমলাতন্ত্রের মাধ্যমে উৎপাদিত প্রতিটি অপেক্ষা, ঈশ্বরের আজব জীবন পদ্ধতির উদ্ভট নিয়ম কানুন থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে, ক্ষণে ক্ষণে, সেকেন্ডে সেকেন্ডে; যারা আমলাতন্ত্রের সাথে সহযোগিতা করেছে, তারা আলোর সাফল্যাঙ্ক খুইয়েছে তাদের কাছে যারা অপেক্ষা করেছে; অদ্ভুত ও অপরিচিত জীবন পদ্ধতির  প্রতিটি তথাকথিত জীবন সরকারী কর্মচারীর, যেগুলো ঈশ্বরের অদ্ভুত নিয়ম কানুন থেকে এসেছিল, ঈশ্বরের সন্তানের সামনে একটি বিবেচনা তুলে ধরতে হবে, আমলাতন্ত্র নামক সে অন্ধকারে তারা যে ভূমিকা পালন করেছে সেজন্য।   

৫২.- জীবন পরীক্ষায়, অনেক অবমাননা ছিল; অনেকের অধিকার লঙ্ঘিত ছিল, জগতের প্রতিটি দৃশ্যে যেখানে অধিকার লঙ্ঘিত ছিল, পরীক্ষার বিশ্বে সৌর টেলিভিশনে সব দেখানো হবে; অনেকে যারা অন্য কাউকে তাদের যানবাহন দিয়ে আহত করেছে, কেউ দেখেনি এমনভাবে, জগত তা জানবে; এবং পরীক্ষার বিশ্বে তাদের প্রতি কোন ক্ষমা থাকবে না; যেমন করে তাদের দয়া ছিল না যাদের তারা মেরে চলে গিয়েছিল তাদের উপর; অনেকে তাদের দ্বারা মর্মান্তিক ভাবে পৃথিবীর রাস্তায় পতিত হয়েছিল; সেসব খুনিদের কেউই আর আলোর মুখ দেখবে না; পাপের পর থেকে তাদের উদ্ভট নীরবতার প্রতিটি সেকেন্ড অনুযায়ী তারা অন্ধকার জগতে বাস করতে থাকবে।  

৫৩.- সৌর টেলিভিশনে পরীক্ষার এই জগত যেসব লুকায়িত ভয়াবহতা দেখবে তার মধ্যে, সব সময়কালের  সবচেয়ে অদ্ভূত অত্যাচার এবং নিয়ম লঙ্ঘন ঘটবে সামরিক সময়কালে, পুলিশ বিভাগে, পরিত্যক্ত বাড়ী, লুকানো স্থান এবং এসব নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে এমন প্রত্যেক জায়গায়; অন্যদের অপমান করার স্বীকৃতি যারা নিয়েছে এমন অনেক দুষ্টরা আত্মহত্যা করবে; কিন্তু, তারা যদি হাজার বারও আত্মহত্যা করে তবে হাজার বারই তাদের পুনরুত্থিত করা হবে ঈশ্বরের সন্তানের দ্বারা। 

৫৪.- জীবন পরীক্ষায়, পৃথিবী পবিত্র স্বর্গীয় দূতদের বিষয়ে কিছুই জানতো না; অনেকে তাদের শুধু নামের মাধ্যমে জানতো; নতুন পৃথিবী অথবা শত সহস্র বছরের শান্তিতে, পৃথিবীর জীব সম্প্রদায় দেখবে এবং জানবে স্বর্গীয় দূত কি, তাদের মাধ্যমে ঈশ্বরের সন্তান প্রাকৃতিক উপাদানের উর্ধ্বে কাজ করবে; স্বর্গীয় দূত জাগতিক উপাদানের সবচেয়ে আণুবীক্ষণিক ব্যাপার চিত্রিত করে।

৫৫.- স্বর্গীয় দূতদের নিয়ম, যেকোন দর্শনের উপর বিজয় যেটা প্রতিটি মানব মস্তিষ্ক থেকে আসে; সেই উপাদানগুলো শৃঙ্খলাবদ্ধ করার জন্য যেগুলো দ্বারা সবচেয়ে বড় অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়; এই স্বর্গীয় নিয়ম দ্বারা জীবন পদ্ধতি গঠিত হয়, ঈশ্বরের পবিত্র আদেশপত্রের থেকে আলাদা, পৃথিবীর থেকে অদৃশ্য; স্বর্গীয় দূত হওয়ার জন্য যা কিছু চিন্তনীয় তা সবকিছু রূপান্তর করে; এটা অসীম ক্ষমতার নিয়মের জন্য, যার জন্য লেখা আছেঃ এবং তিনি প্রতিটি কল্পনার বিষয়বস্তুকে পুনরধিষ্ঠিত করবেন; এটা মূলত তাদের জন্য যারা জীবন পরীক্ষায় বিশ্বাস করেছিল, যেগুলো পুনরধিষ্ঠিত হবে, কোন সীমা থাকবে না, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে; তাদের জন্য নয় যারা  এরকম ভেবেছে সীমানা সহ। 

৫৬.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অনেক নিয়ম জানতো যা অন্যরা জানতো না; যারা নিজে জেনে অন্যদের জানাত না যারা কম অথবা কিছুই জানতো না, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না, প্রত্যেক স্বার্থপরতাকে সেটা যে সময়টুকু অদ্ভুতভাবে টিকে ছিল, সেই প্রতিটি সেকেন্ড অনুযায়ী মূল্য দিতে হবে; কেউ পবিত্র পিতাকে কোন ধরণের কল্পনা রূপে স্বার্থপর হতে বলেনি; বিজ্ঞতা যেটা লুকানো ছিল সেটা সুবিচারের জন্য ঈশ্বরের সন্তানকে অনুরোধ করবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা জীবন পরীক্ষায় কিছুই লুকায়নি, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য। 

৫৭.- জীবন পরীক্ষায়, অনেকে অন্যদের অনেকভাবে কষ্ট দিয়েছে; প্রতিটি কষ্ট যা অন্যদের উপর প্রেরিত ছিল, সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড অনুযায়ী আর অণু থেকে অণু পরিমাণে পরিশোধ করা যাবে; সবগুলো যন্ত্রণা যা জীবন পরীক্ষায় প্রকোপিত হয়েছে, বিশ্বের সৌর টেলিভিশন দ্বারা দৃশ্যমান হবে; মানব মস্তিষ্ক থেকে আসেনি এমন সব কিছু বিচারের আওতামুক্ত থেকে যাবে। 

৫৮.- জীবন পরীক্ষায়, যারা বণিক ছিল আর অন্যদের প্রতারিত করেছে; প্রতিটি প্রতারণা অণু থেকে অণু অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে; টাকার রসিদ অথবা ধাতুময় যাই হোক না কেন, ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্রভাবে বিবেচনা করা হবে; জীবনের পরীক্ষায়, কারোরই বণিক হওয়ার জন্য টাকা ধার আনা উচিত হয়নি; জিনিষপত্র ও দরকারের উপর এমন অদ্ভুত মূল্য আরোপ স্বর্গরাজ্য থেকে আসেনি; ব্যবসা আসলে জীবন পরীক্ষায় ধনী হওয়ার উপায়গুলোর একটি; এবং সবাই জানে যে সেই তথাকথিত ধনীদের একজনও স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য সে রাজ্যের নিয়ম বেছে নিয়েছে এবং পূরণ করেছে; আর যারা তাদের নিজেদেরকে সেই সব আজব নিয়মের দ্বারা প্রভাবিত হতে দিয়েছে যেগুলো স্বর্গরাজ্যে লিখিত নেই, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না। 

৫৯.- জীবনের পরীক্ষায়, ঈশ্বরের কাছে যা প্রতিজ্ঞা করা হয়েছিল কেউই পূরণ করতে পারেনি; যেহেতু পবিত্র গসপেল এর পবিত্র আদেশসূচী ও ধারণার ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছিল; স্বর্ণের নিয়ম থেকে যে উদ্ভট ধারণা এসেছিল, তা জীবন পরীক্ষায় লেখা সমস্ত বিশ্বাসের ভাবনাকে ভেঙ্গে চুরমার করে ফেলেছে; ঈশ্বরের যে বিষয়গুলো কোন এক ভাগেও বিভাজিত হওয়া উচিত হয়নি; কোন বিভাজন না হওয়ার জন্য ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ ছিল; যেগুলো ভাগ হয়েছে তার কিছুই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না। 

৬০.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেক প্রতীক ও মাদুলি পরিহিত হয়েছিল; স্বর্গরাজ্যের একটি পবিত্র নিয়ম দ্বারা পৃথিবীকে সতর্ক করা হয়েছিল; যারা ঈশ্বরের সিলমোহর থেকে প্রেরিত হয়নি এমন প্রতীক ধারণ করেছিল, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা থেকে অনুরোধ করা এমন যদি কোন পবিত্র সূচি না থাকে থাকে, তবে যারা সেই প্রতীক পরিধান করেছে তারা ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে। 

৬১.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে তৎক্ষণাৎই দোষ করেছে, সেসবকিছু সেই সময়েই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে; কেউই তৎক্ষণাৎ চরিত্রহীন হয়ে ঈশ্বরকে অনুরোধ করেনি; দোষ আলোর সাফল্যাঙ্ক কে ভাগ করে ফেলে; সেই চরিত্রহীনদের কেউই কখনো স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; এটা মূলত তাদের জন্য যারা সেই দোষের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেও, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য নিজের মানসিক চাহিদাকে উপেক্ষা করেছে; তাদের জন্য নয় যারা সেই আজব অন্ধকারের দ্বারা নিজদের প্রভাবিত হতে দিয়েছে। 

৬২.- জীবনের পরীক্ষায়, ঈশ্বরের অদ্ভুত নিয়ম থেকে আসা অদ্ভুত জীবন ব্যবস্থার আজব মনস্তত্ব দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার জন্য সবাই উন্মুক্ত ছিল; উদ্ভট সেই প্রভাবের উপর প্রতরোধ ক্ষমতা, যেটা স্বর্গরাজ্যে লিখিত নেই, স্বর্গীয় চূড়ান্ত বিচারে গুরুত্ব পাবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা নিজেদের প্রভাবিত হতে দেয়নি, সেগুলো দ্বারা যেগুলো স্বর্গরাজ্য থেকে আলাদা ছিল, যেন তারা একটি আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করতে পারে; তাদের জন্য নয় যারা নিজেদের প্রভাবিত হতে দিয়েছে সেগুলো দ্বারা যেগুলো তাদের অনুরোধে স্বর্গরাজ্যে অনাকাংখিত হয়েছিল। 

৬৩.- জীবন পরীক্ষায়, অনেকে সত্যের সন্ধান করেছে, এবং অনেকে করেনি; যারা সত্যের সন্ধান করেছে, তাদের খোঁজ যতক্ষণ স্থায়ী ছিল ঠিক তত পরিমাণ আলোর সাফল্যাঙ্ক তারা অর্জন করেছে; ঈশ্বরের বিষয়বস্তু খোঁজার পেছনে প্রতিটি সেকেন্ডের জন্য সে আত্মা আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করেছে; যারা কিছুই খুঁজেনি, তারা কিছু অর্জন করেনি; স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য একজনকে প্রতি বিন্দু পরিমাণ ঘাম অনুসারে অর্জন করতে হবে; স্বর্গরাজ্যে কিছুই বিনামূল্যে দেয়া হবেনা; এটা সেই পবিত্র বাণীতে ঘোষণা করা হয়েছিল যাতে বলা ছিলঃ তোমার মুখমণ্ডলের ঘামের পরিমাণে তুমি সুফল লাভ করবে। 

৬৪.- যে তার নিজ বিশ্বাস ও মূল্যবোধের দ্বারা সমস্ত পৃথিবীকে নিজ দেশ মনে করেনি, সে আরেকবার স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার মহিমান্বিত সুযোগ হারিয়েছে; যেহেতু সে অসীম পরিমাণ আলোর সাফল্যাঙ্ককে তুচ্ছ করেছে, যেটার মূল্যায়ন ছিল সমস্ত বিশ্বের মোট অণুর সংখ্যার সমান; এই অপরিমেয় আলোর সাফল্যাঙ্ক সেই আত্মার আবার স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য যথেষ্ট ছিল; যে যেকোন একটি জাতিকে তার দেশ মনে করেছে, সে তার আলোর সাফল্যাঙ্ককে সীমিত করে ফেলেছে; এটা বলা ছিল যে শুধুমাত্র শয়তানের কাজ হলো ভাগ করা; অদ্ভুত পৃথিবীটা জাতি অনুসারে ভাগ হয়ে ঠিক শয়তানের কাজটা করেছে।  

৬৫.- জীবনের পরীক্ষায়, পৃথিবী এমন দর্শনে অভ্যস্ত হয়ে গেছে যেগুলো কেউই স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করেনি; স্বর্গরাজ্যে লিখিত হয়নি এমন অনেক সব আজব রীতিতে মানুষ ভাগ হয়ে গেছে; কারোরই এটা পশ্রয় দেয়া উচিত হয়নি; যারা এই আজব  নিদ্রায় শায়িত হয়েছে তারা নিজদের কর্মকে ভাগ করেছে; সব আত্মা যারা তাদের নিজেদের মধ্যে এই অদ্ভুত কাজে জীবন যাপন করেছে তারা আর কখনোই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; সেই তথাকথিত বহুতত্ব এই ভাগতে প্রভাবিত করেছে; এটা সত্য যে বহুতত্ব মানুষের স্বাধীন ইচ্ছার একটি অধিকার; কিন্তু জীবন পরীক্ষা বিভাজিত হওয়ার  মাধ্যমে গঠিত হয়নি; একজনকে জানতে হবে কিভাবে বহুতত্ব এর ধরণ বাছাই করতে হয়। 

৬৬.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে নিজে যা সঠিক চিন্তা করেছে তা রক্ষা করেছে; একটি কারণ সঠিক যখন তা আত্মা নিজে ঈশ্বরের গসপেলের দর্শন অনুযায়ী চিন্তা করে করেছে; এই কারণ অনুসারে, অন্য সব কারণসমূহ ঈশ্বরের বিচারে বিবেচনা করা হবে, অদ্ভুত কারণসমূহ।  

৬৭.- জীবনের পরীক্ষায়, সেখানে অনেক রকমের বিশ্বাস ছিল; যেগুলো বেশী সম্প্রসারিত সেগুলো বেশী আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করেছে; এবং যেটা যত কম সচিত্র সেটার সাফল্যাঙ্ক তত কম; ঈশ্বরের সামনে সবচেয়ে নিখুঁত বিশ্বাসের ধরণ হলো যেটার শিক্ষার মধ্যে বিজ্ঞান ও নৈতিকতার ছোঁয়া রয়েছে; জীবন পরীক্ষার সেইসব তথাকথিত ধার্মিকরা নিতিবান ছিল না; এবং সে অদ্ভুত নৈতিক মানদণ্ড যার আইনে তার অনুসারীদের মধ্যেই বিভাজন অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

৬৮.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেক বিবাহিত যুগল ছিল যারা নিজেদের কামুকতার অনৈতিকতার মাধ্যমে বিয়ে নামক সংস্কার থেকে সরে গিয়েছিল, অনেকে কোন উপযুক্ত কারণ ছাড়াই নিজদের খেয়ালে আলাদা হয়ে গিয়েছিল; এরকম যারা করেছে তারা কখনোই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; এটা মূলত সেসব বিবাহিত যুগলদের জন্য যারা অনেক কঠিন পরীক্ষার সত্ত্বেও একসাথে থাকার ধৈর্য্য ধারণ করেছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য;  সেসব বিবাহিত যুগলদের জন্য নয় যারা একটি ওয়াদা ভঙ্গ করেছিল সেই অদ্ভুত কামুকতার জন্য। 

৬৯.- জীবনের পরীক্ষায়,  জীবনের নিজস্ব নির্জীবতার জন্য অনেকে ব্যর্থ হয়েছে; জীবন পরীক্ষা অতিক্রম করার জন্য নির্জীবতা সকলে অনুরোধ করেছিল; এটা অনুরোধ করা হয়েছিল কারণ কেউই এটার সংবেদন জানতো না; নির্জীবতা যেটা সম্পর্কে পরীক্ষার বিশ্ব জেনেছিল যে এটা একটি অদ্ভুত জীবন ব্যবস্থার ফসল, যেটা বস্তুগত মায়ায় অতিক্রম করে গিয়েছিল; এটা তাদের জন্য সহজ যারা তাদের উন্নয়নের মধ্যে বস্তু অথবা আত্মিক কোনটাই অতিক্রম করেনি, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; একজনকে জানতে হবে কিভাবে সে দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করবে।  

৭০- জীবনের পরীক্ষায়, ঈশ্বরের কোন বিশ্বাসই সামাজিক আইনে রক্ষিত হয়নি; স্বর্গীয় ছাপ ছাড়া কেউ এ পৃথিবীতে থাকেনা; ব্যক্তিগত বিশ্বাস সবকিছুর উপরের সবকিছুকে অন্তর্ভুক্ত করে; ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে সব সমষ্টিগত অভিজ্ঞতা; এটা মূলত তাদের জন্য যারা নিজেদের বিশ্বাসে পরিপূর্ণ ছিল; তাদের জন্য নয় যারা অসম্পূর্ণ ছিল। 

৭১- জীবন পরীক্ষায়, অনেক বিস্ময়কর পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত ছিল যা তাদের নিজস্ব আধ্যাত্মিক অনুসন্ধানকে ভুলিয়ে দিয়েছিল; যারা এই আইনের মধ্যে ছিল, সত্যের অনুসন্ধানে তাদের নিজস্ব অর্জিত সংখ্যা ভাগ করে নিবে। 

৭২.- জীবন পরীক্ষায়, অনেকে তাদের নিজেরদের প্রভাবিত হতে দিয়েছে অদ্ভুত বৈষম্যপ্রদর্শন দ্বারা, যার ফলে জীবনের অধ্যায়ের যন্ত্রনা আরো বেড়ে যায়; এর মধ্যে একটা বৈষম্য ছিল শান্তি বিষয়ক কথা বলা এবং একই সাথে তথা কথিত সামরিক সেবা মেনে নেয়া; যারা সেভাবে ভেবেছিল তারা সামরিক সেবার অন্ধকার দ্বারা আলোর সাফল্যাঙ্ককে ভাগ করে নিয়েছিল; এটা শতাব্দী শেখায় যে কেউ কেউ দুজনকে অনুসরণ করে একথা বলতে পারে না যে সে একজনকে মান্য করছে; শাশ্বত তিনি কোন শয়তানকে মান্য করেন না; যা অন্যকে হত্যা করতে উন্নত হয়েছে তিনি তাকে সেবা দেন না; সমস্ত আত্মার জন্য সে স্বর্গীয় আদেশ রয়েছে তাতে বলা হয়েছেঃ তুমি হত্যা করবে না; এটা আরো বেশি তাদের জন্য যারা সম্মান দেখিয়েছে সেসবের প্রতি যা রাজ্যে অনুরোধ করা হয়েছিল স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য; তাদের জন্য নয় যারা তাদের প্রভাবিত হতে দিয়েছিল অদ্ভুত আদেশপত্র দ্বারা যা মানুষ থেকে আসা।  

৭৩.- তথাকথিত রাজারা এবং অন্যান্যরা যারা অন্যদের দ্বারা নিজেকে অভিজাত বলে সম্বোধন করাতো, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; আধ্যাত্মিক বিচার হবে তাদের দ্বারা বিপরীত কাজ করানোর মাধ্যমে; তাদের বিনয়ী এবং রাজা হওয়া এ দুটোর মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে; একজনের পক্ষে দুজন রাজার সেবা সম্ভব না; শুধুমাত্র স্বর্গীয় পিতা যেহোবাহ, যে সবকিছুর স্রষ্ঠা সে-ই মহাবিশ্বের একমাত্র প্রভু; অন্যান্য মর্তের প্রভু যারা আছেন  শুধু পরীক্ষিত হন পিতার দ্বারা; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য বিনয়ী হয়েছে; তাদের জন্য নয় যারা তথাকথিত আভিজাত্যের রাস্তা বেছে নিয়েছে। 

৭৪.- জীবনের পরীক্ষায়, সেই তথাকথিত বণিকরা সেই আজব ব্যবসার জন্য তাদের ফল ভাগ করেছে; সেই বণিকদের একজনও আর স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; জীবন পরীক্ষা গঠিত হয় কিভাবে নিজ ইচ্ছাকৃত নীতিকথা থেকে কল্যাণময় নীতিকথা আলাদা করতে হয় তা জানার মাধ্যমে; বিশ্বের বণিকদের উৎপত্তি হয়েছে অদ্ভুত স্বর্ণের নিয়ম থেকে, সেই নৈতিকতা বিকৃত করেছে যা সে নিজে স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করেছে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা স্বর্গরাজ্যে যা অনুরোধ করেছে তার প্রতি সম্মান রেখেছে; তাদের জন্য নয় যারা এটা ভুলে গেছে। 

৭৫.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অসীম থেকে বাণী পেয়েছে; কেউই তাদের নিজেকে জিজ্ঞাসা করেনি যে সে যা পেয়েছে তা কি পৃথিবীকে রূপান্তর করবে কিনা; স্বর্গীয় বিচারে এটার সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে; কেউই জানতো না এমনদের মধ্যে যারা প্রথম হয়ে অনুরোধ করেছিল, তাদের এটাও উচিত ছিল যে সে যেন সমস্ত পৃথিবীকে সার্বিকভাবে বিবেচনা করতে পারে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা যেকোন একটি অথবা অন্যটি ক্ষমতা জানার জন্য অনুরোধ করেনি, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা একটি ক্ষমতার অনুরোধ করেও অনুরোধকৃত আইনে ব্যর্থ হয়েছিল। 

৭৬.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে উন্নতি করার সুযোগ পেয়েছিল কিন্তু তারা এটার সুবিধা নেয়নি; যেহেতু কল্পনাযোগ্য সবকিছুই ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল, চিন্তারত আত্মা এটা অনুরোধ করেছিল কারণ তারা জানতো না যে এটা ছিল সংবেদন; তাদের জন্য যারা সেই সুবিধার জন্য অনুরোধ করেছিল কিন্তু এটা তুচ্ছ করেছিল, জীবন্ত সুযোগের পক্ষ হতে তারা একটি বিচার পাবে; সুযোগের আইন হিসেবে সুযোগ ঈশ্বরের সামনে কথা বলে; যেমন করে আত্মার নিয়ম অনুযায়ী আত্মা কথা বলে। 

৭৭.- জীবনের পরীক্ষায়, মানুষ অনেক কাজ তৈরী করেছে; মানব চিন্তার সব গুণ হিসেবে কাজ করে একটি  শ্রেণীবিন্যাসও পেয়েছে; সে কাজ যেটা মানুষের মধ্যে সবচেয়ে তুচ্ছ ছিল, সেটা ঈশ্বরের কাছে সবচেয়ে উঁচু শ্রেণীবিন্যাস পেয়েছে; এটা লেখা ছিল যে অদ্ভুত জীবন পদ্ধতিতে তুচ্ছ থাকা প্রতিটি যেগুলো স্বর্গরাজ্যে লিখিত ছিল না, সেটা ঈশ্বরের সামনে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত। 

৭৮.- জীবনের পরীক্ষায়, সবাইকেই তাদের নিয়মে সমর্পিত করা হয়েছিল; সবাই এটা জেনে যে অদ্ভুত জীবন পদ্ধতির সব উদ্ভট নিয়ম, যেগুলো স্বর্ণের আইন থেকে এসেছে, সেগুলো অসম ছিল, এটা যে সবারই কোন ব্যতিক্রম ছাড়া সমান আইনের জন্য সংগ্রাম করা উচিত ছিল; পিতা যেহোবাহর পবিত্র গসপেলে এটা লেখা যেঃ যারা অসমতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেনি তারা একটি অসম বিচার পাবে; যারা সমতার জন্য সংগ্রাম করেছে, তারা সমান করে স্বর্গীয় বিচার পাবে; সংবেদন জীবন যাপনের উপর ভিত্তি করে সবকিছুর মূল্যায়ন করা হবে; সংবেদন থেকে সংবেদন অনুযায়ী; যেরকমটা একজন জীবন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, সে সেভাবেই ফেরত পাবে। 

৭৯.- এটা মূলত তাদের জন্য যারা নিজেদের আদর্শে, যেগুলো জীবন পরীক্ষায় তৈরী হয়েছিল, ঈশ্বরের পবিত্র গসপেলে অনুপ্রাণিত হয়ে এটা করেছিল, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা অন্য ক্ষেত্রে অনুপ্রাণিত হয়েছিল; ঈশ্বরের বিষয়বস্তুতে প্রাধান্য, আত্মাকে ঈশ্বরের বিষয়ে প্রাধান্য দিতে সাহায্য করে, যেগুলো স্বর্গরাজ্য দ্বারাও প্রাধান্য লাভ করে। 

৮০.- একজন জ্ঞানী মানুষ যে কিনা বিনয়ী নয় আর আরেকজন অজ্ঞ যে উদ্ধত, তাদের মধ্যে পরের জন স্বর্গরাজ্যের তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি আছে; জ্ঞানী এর জন্য বিনয়ী হওয়া জরুরী; অসংখ্য গ্রহ থেকে আসা অসংখ্য জ্ঞানী তাদের নিজস্ব পরীক্ষার জগত অনুসারে আর কখনোই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না, তারা তাদের মধ্যকার বিনয়কে বিকৃত করে ফেলেছে। 

৮১.- জীবনের পরীক্ষায়, সত্যের জন্য যেকোন একটি খোঁজও কোন উদ্ভট দর্শনে পড়া উচিত না যা অন্যদের আলাদা করেছে; কেউই এই পৃথিবীতে থাকবে না; এটা সেগুলোর জন্য যা কাউকে ভাগ করেনি, পৃথিবীতে থেকে যেতে; এটা লিখিত ছিল যে শুধুমাত্র শয়তান ভাগ করে এবং সে নিজেকে ভাগ করে।  

৮২.- পাশ্চাত্য জগতের সেই তথাকথিত ধার্মিক গ্রুপের কারণে ঈশ্বরের মেষশাবকের প্রকাশ প্রাচ্যদেশে চলে যায়; বিশ্বাসের রূপ যেটা অন্যদের ভাগ করেছে তার  অনুশীলনকারীরা কোনটা ঈশ্বর থেকে এসেছে আর কোনটা মানুষ থেকে এসেছে তার মধ্যে বাছাই করতে ব্যর্থ হয়েছে; এই অদ্ভুত অন্ধত্ব ক্যাথলিক চার্চগুলো দ্বারা নেতৃত্বলাভ করেছিল; স্বর্গরাজ্যে একটু উদ্ভট ও অপরিচিত ধরণের বিশ্বাস; ঈশ্বরের রাজ্যে, যা অন্যদের ভাগ করতে পারে এমন কিছুই সে দূরবর্তী বিচারের পৃথিবীতে নেই। 

৮৩.- জীবন পরীক্ষায় করা সব ধরণের দান, অণু থেকে অণু, পরমাণু থেকে পরমাণু, ধারণা থেকে ধারণা, সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড অনুযায়ী পুরস্কৃত হয়; যারা অন্যদের আত্মিক অথবা বস্তুগতভাবে দিয়েছে, তারা তত পরিমাণ আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করেছে যত পরিমাণ অণু সেই ব্যক্তির রক্ত মাংসের শরীরে রয়েছে যে এই দান গ্রহণ করেছে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা জীবন পরীক্ষায় এক ধরণের অণুতে দান অনুশীলন করেছে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; সেই দানকৃত অণুর জন্য সেই অণুর নিয়ম অনুযায়ী তাকে ঈশ্বরের সামনে মূল্যায়ন করা হবে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা জীবনে কোন ধরণের দান অনুশীলন করেনি। 

৮৪.- যখন ঈশ্বরের কাছে সবচেয়ে উঁচু রকমের নৈতিকতা অনুরোধ করা হয়েছিল, জীবন পরীক্ষার জন্য, সব আত্মাই সৌজন্য অনুরোধ করেছিল; এটা এমন যে যারা তাদের আসন অন্যদের দিয়েছিল, তারা সেই পরিমাণ আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করবে যত পরিমাণ অণু সেই ব্যক্তির রক্ত মাংসের শরীরে রয়েছে যে ব্যক্তি সেই আসনে বসার সুযোগ পেয়েছিল। 

৮৫.- সবকিছুর উপরের সবকিছুতে যেটা ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ করা হয়েছিল, এমনকি সবচেয়ে আণুবীক্ষণিক বস্তুও ভাল অনুভব করে যখন কোন ভাল লেনদেনের মাধ্যমে তাদের উপর ভাল কিছু করা হয়; যখন কেউ খারাপ কিছু করে, সকিছুর উপরের সব আণুবীক্ষণিক বস্তু ঈশ্বরের কাছে নালিশ করে; এটা লিখিত ছিল যে যা কিছু বিনয়ী, ছোট এবং আণুবীক্ষণিক তারা ঈশ্বরের কাছে এগিয়ে থাকবে; এবং যারা ঈশ্বরের পবিত্র ইচ্ছায় এগিয়ে ছিল, তারা ঈশ্বরের কাছে আগে কথা বলবে; এবং প্রথমে কথা বলার মাধ্যমে, তারা পুরস্কার চাইবে অথবা তাদের বিরুদ্ধে নালিশ করবে যারা দূরের ওই পৃথিবীর পরীক্ষার জীবনে এদের খারাপ ব্যবহার করেছিল। 

৮৬.- জীবন পরীক্ষায়, যারা প্রথমে ঈশ্বরের মেষশাবকের তালিকা দেখেছে, তাদের উচিত ছিল বিশ্বাসের অনুশীলন বন্ধ করে দেয়া; জীবন পরীক্ষা গঠিত হয় ঈশ্বরের কাছ থেকে কি প্রেরিত হল তা দেখা মাত্রই চিনে ফেলার মাধ্যমে; এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে; জীবন পরীক্ষায় তাদের কেউ না যারা ঈশ্বরকে অনুরোধ করেছিল, এক সেকেন্ডেও তার কি সেটা দেরী করানোর জন্য; ঈশ্বরের জন্য বের হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা যেটা আগে ছিল, সেই মানুষের নিজ থেকে একটি সুন্দর তাড়না আসা উচিত; আরোপিত ইচ্ছাগুলো ঈশ্বরের খুশি আনবে না।  

৮৭.- জীবন পরীক্ষায় যারা প্রকাশক হিসেবে উদীয়মান হয়েছিল, তাদের কোন ভাব কিংবা বর্ণ পরিবর্তন করা উচিত হয়নি, সেই পবিত্র বাণীর যেটা পিতা যেহোবাহর থেকে জীবন পরীক্ষায় প্রেরিত হয়েছিল; সেই জীবন্ত অনুভব ও বর্ণমালা তাদের নিয়ম অনুযায়ী ঈশ্বরের কাছে নালিশ করে; যেমন করে একটি আত্মা তার নিয়ম অনুযায়ী নালিশ করতে থাকে; ঈশ্বরের প্রেরিত বাণী যারা মিথ্যা করেছিল ও মূল বিষয়বস্তু পরিবর্তন করেছিল, তারাও তাদের জীবনে কিংবা অন্যদের জীবনে মিথ্যা প্রমাণিত ও নিজের ক্ষেত্রে পতিত হবে; যখন তারা ভবিষ্যতে পুনরায় ঈশ্বরের কাছে আসবে, পুনরায় জন্মলাভের জন্য অনুরোধ করার জন্য, একটু নতুন জীবন জানার জন্য।  

৮৮.- জীবন পরীক্ষায়, মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করেছে যারা তাদের স্বভাববসত অন্যদের কষ্ট লাঘবে অনিচ্ছুক ছিল; অনেক তথাকথিত জাতির মধ্যে শক্তির শয়তান সুযোগ সন্ধান ও ধুর্ততার মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে; জীবন পরীক্ষায়, একজনকে জানতে হবে কাকে একটি জাতির জন্য সভাপতি, রাজা অথবা সম্রাট হিসেবে নির্বাচন করতে হবে; যারা তাদের নির্বাচন করেছে তাদেরই তাদের কাছে চাহিদা দেয়া উচিত ছিল, ঈশ্বরের গসপেল এর স্মৃতি অনুযায়ী জানার জন্য; যেমনটি শেখানো হয়েছিল; অন্যদের কষ্ট অনুভব করতে নারাজ ও মানবতার অভাব, সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড, ধারণা থেকে ধারণা, অণু থেকে অণু, মুহূর্ত থেকে মুহূর্ত  অনুযায়ী ঈশ্বরের পবিত্র বিচারে মূল্যমান করা হবে; এবং যারা এসব অদ্ভুত জীবকে নির্বাচন করেছে, যারা এই ইচ্ছাপ্রসূত ঈশ্বরের প্রাধান্য কি না জেনেই অদ্ভুত শাসনক্ষমতা নিয়েছে, দুষ্কর্মে সহযোগী হিসেবে ঈশ্বরের স্বর্গীয় বিচারে তাদের অভিযুক্ত করা হবে। 

৮৯.- জীবনের পরীক্ষায় অনেক নিচুকর্ম ছিল যা কেউ জানতো না; যা কেউ জানতো না তা সৌর টেলিভিশনে দৃশ্যমান হবে; এমন পৃথিবী অনেক ন্যাক্কারজনক দৃশ্য দেখবে; অন্যদের মধ্যে অনেক অনৈতিক দৃশ্য যা পৃথিবীর সেই তথাকথিত যানবাহনে সংগঠিত হয়েছে; অনেক কুকর্মকারী ভয়ে আত্মহত্যা করবে; কিন্তু তারা ঈশ্বরের সন্তানের মাধ্যমে পুনরুত্থিত হবে; পৃথিবীর উন্মুক্ত জায়গায় কামনাময়ী দৃশ্যের কুকর্মকারীদের একজনও স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; একজন যে নিষ্পাপতা নিয়ে চলে এসেছে সেইটুকু নিয়েই সে রাজ্যে প্রবেশ করবে। 

৯০.- এটা মূলত জীবন পরীক্ষার সে কর্মীর স্বর্গরাজ্যে প্রবেশের জন্য; তাদের জন্য নয় যারা সারা জীবন আত্মার শুদ্ধি চাষ করেও তাতে কাজ করেনি কখনো; সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড অনুযায়ী কর্মসাধন সর্বোচ্চ পরিমাণ আলোর সাফল্যাঙ্ক দিবে যার কোন তুলনা হয়না; কাজ আর বিনয় সমান তালে চলে; অনেকে যারা জীবন পরীক্ষায় ঈশ্বরের বিষয়বস্তুতে অনুকরণ করে কাজ করেছে; এবং ঈশ্বরের বিষয়বস্তুর কোন সীমা নেই; তার অনুসরণকারীদের জন্য পুরস্কারেরও কোন সীমা নেই।  

৯১.- জীবনের পরীক্ষায়, একজনকে জানতে হবে কীভাবে নিজস্ব ব্যক্তিগত সন্ধান কে পৃথক করতে হয় যেটা তার নিজের থেকে এসেছে, এবং সন্ধান যা অনুকৃত অথবা  ধর্মীয় সন্ধান; নিজের এই অন্বেষণ কাউকে পৃথক করে না এবং সম্পূর্ণ আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করে; যে সন্ধান বিশ্বের ধর্মবিশ্বাসীদের দ্বারা অনুকৃত, তা বিভক্ত হয়েছে পৃথিবীতে অবস্থানরত সকল ধর্ম দ্বারা; নিজস্ব সন্ধান যা কাউকে বিভক্ত করেনি তা হচ্ছে সে সন্ধান যা স্বর্গীয় রাজ্যে নিবেদন করা হয়েছিল; ধর্মীয় সন্ধান কারো দ্বারা নিবেদিত হয় নি, তথাকথিত ধর্মগুলো ঈশ্বর সম্রাজ্যে অজানা ছিল তখন; স্বর্গীয় রাজ্যে বিভেদের কোনো অস্তিত্ব নেই; অদ্ভুত ধরনের ধর্মীয় বিশ্বাস যা মানুষের মুক্তচিন্তা হতে এসেছে তা এক অবিদিত নিষ্ঠা, যা একটি অজানা অস্তিত্ব হতে তৈরি, যা বাঁচিয়ে রেখেছে অনেক ধরনের আস্থাকে, এক ঈশ্বরের অস্তিত্বকে; এটা অনেকটা তাদের জন্যে যারা স্ব আস্থায় বিরাজ করে, যাদের মাঝে বিভেদ না করার কৌশলতা ছিল, যাতে তারা স্বর্গীয় রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে; তাদের জন্যে নয় যারা গ্রাহ্য করেনি তারা জীবন সংগ্রামে কী করেছে। 

৯২.- ঈশ্বরের মেষশাবক মতবাদের আওতায় প্রকাশিত প্রথম বাণী মিথ্যা বর্ণিত হয়েছিল তার প্রথম সম্পাদক দ্বারা; এই সত্ত্বা অজ্ঞ ছিল ঈশ্বরের ঐশ্বরিক ক্ষমতা সম্পর্কে; সে ঈশ্বরকে তাঁর নিজেকে প্রকাশের জন্য স্বর্গীয় রাস্তা দেয়নি, তা করার সুযোগ, এমন অদ্ভুত বিশ্বাস অক্ষরে অক্ষরে শোধ করতে হবে; প্রতিটি অক্ষরের বিপরীতে তাদের একটি সময় স্বর্গরাজ্যের বাইরে কাটাতে হবে যারা ঈশ্বরের বিষয়বস্তুকে মিথ্যা উপস্থাপন করেছিল; জীবনের সংগ্রামে ভবিষ্যৎ সম্পাদকরা সতর্ক হোক প্রথম সম্পাদক যা করেছিল তা দেখে, যে স্বর্গরাজ্যে প্রথম হতে অনুরোধ করেছিল। 

৯৩.- জীবনের পরীক্ষায়, যারা ঈশ্বরের বাণী প্রকাশের দায়িত্বে ছিল, ভুলে গেছে যে সে শাশ্বত আটকে রাখার জন্য না, সবার উপরে এমনকি কোন সেকেন্ডের জন্যও না; দেরী করার প্রতিটি মুহূর্তের জন্য তাকে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে; কেউ ঈশ্বরকে অনুরোধ করেনি, তার পবিত্র বাণীকে বিলম্বিত করার জন্য, যা জীব সম্প্রদায় নিজে অনুরোধ করেছিল। 

৯৪.- জীবন পরীক্ষায়, একজন ভুলে গেছে যে তাদের নিজের থেকে যা আসে সেটার ভিত্তিতেই ঈশ্বরের সন্তানের সামনে তার বিচারের গণনা হবে; একজন ব্যক্তি হিসেবে সে যা করেছে তা সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড, মুহূর্ত থেকে মুহূর্ত, ধারণা থেকে ধারণা, অণু থেকে অণু অনুযায়ী বিচার করা হবে; এটা মূলত তার জন্য যে বিশ্বাস করেছে যে তার নিজ থেকেই ঈশ্বরের বিচার শুরু হবে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা এটাকে কেবল একটি ক্ষুদ্রাংশ মনে করেছিল। 

৯৫.- জীবনের পরীক্ষায়, যারা ঈশ্বরের মেষশাবকের লিখিত পত্র দেখেও তাদের অভ্যস্থ বিশ্বাসে থেকে গেছে, জীবন পরীক্ষায় যারা সেটাকে প্রথম দেখায় চিনতে অন্ধের মত ছিল যেটা ঈশ্বরের থেকে প্রেরিত ছিল; তাদের জন্য এটা লেখা ছিলঃ তাদের চোখ ছিল কিন্তু তারা দেখতে পারেনি; এই অদ্ভুত অন্ধত্ব পিতা যেহোবাহ কে তাদের উপর থেকে তার আশির্বাদ সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছিল; তাদের একটা সুযোগ ছিল কিন্তু তারা সেটা বিশ্বাস করেনি। 

৯৬.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকের পোশাক পড়ার জন্য নিজের ধরণ ছিল; যারা তাদের পোশাক পরিধানের ধরণের মাধ্যমে ঈশ্বরের নীতিকে কলঙ্কিত করেছে, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; পৃথিবীতে থাকার জন্য একটি চলনের পক্ষে তা সহজ ঈশ্বরের বিষয়বস্তুকে উঁচু করার জন্য; সেই অদ্ভুত চলনের জন্য নয় যা প্রতি মুহূর্তে পবিত্র সতর্কবাণীকে হাসির পাত্র করেছে, সে কলঙ্ক অনুযায়ী যুগ অনুযায়ী তা ফেরত পেয়েছে; অদ্ভুত ও অপরিচিত জীবন পদ্ধতি থেকে আসা কোন একটি উদ্ভট চলনও যেগুলো স্বর্গরাজ্যে লিখিত নেই, কেউ যা হবে তা জানেনা।  

৯৭.- জীবনের পরীক্ষায়, যাদের কম অথবা কিছুই ছিল না, তারা অসীম শান্তিতে তৃপ্তি লাভ করবে; এটা মূলত তাদের জন্য যারা জীবন পরীক্ষায় অধিক প্রাচুর্যের প্রভাবে জীবন যাপন করেনি, ঈশ্বরের মূল্যায়নে বেশী অর্জন করার জন্য; তাদের জন্য নয় যাদের অনেক ছিল, কোন বেআইনি ও অদ্ভুত জীবন পদ্ধতিতে, যা স্বর্গরাজ্যে লিখিত নেই। 

৯৮.- জীবনের পরীক্ষায়,  অনেকে অন্যদের দ্বারা নিজেদের প্রভাবিত হতে দিয়েছে; জীবন পরীক্ষা এমনভাবে গঠিত হয়নি যেটা অন্যরা তোমাকে অদ্ভুত প্রভাব দ্বারা তোমাকে প্রভাবিত করতে পারে, যেটা কেউ স্বর্গরাজ্যে অনুরোধ করেনি; যারা সবাই ঈশ্বরের আইন অমান্য করে অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, সেগুলোকে ঈশ্বরের পবিত্র বিচারে উদ্ভট প্রভাব ঘোষণা করা হবে; প্রতিটি অদ্ভুত প্রভাব যা জীবিত ছিল তা সেকেন্ড থেকে সেকেন্ড হিসাব রাখা হবে, সেই সময়টুকু যেটাতে সে অদ্ভুত প্রভাব একজনের মধ্যে বিস্তার পেয়েছিল।  

৯৯.- জীবনের পরীক্ষায়, যে প্রথম ঈশ্বরের মেষশাবকের লিখিত পত্র দেখেছিল, যে চোখ থাকা সত্ত্বেও দেখতে পারেনি; কেউ লক্ষ করেনি সে পরিভাষাঃ সেই লিখিতপত্র ও মেষশাবক জীবন পরীক্ষার বাইবেলে লিখিত ছিল; এটা মূলত তাদের জন্য যারা ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ সত্ত্বেও, সেই বাণী দেখার ক্ষেত্রে প্রথম হয়ে, প্রথম দেখাতেই তা স্বীকার করেছে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তাদের জন্য নয় যারা এটার প্রতি অনিচ্ছুক ছিল; কোনটা ঈশ্বরের আর কোনটা মানুষের তার মধ্যে সংশয় এর মাধ্যমে জীবন পদ্ধতি গঠিত হয়নি।  

১০০.- মানুষের দ্বারা অনুরোধ করা স্বর্গীয় চূড়ান্ত বিচারে, জীবন ধারণ করার প্রতিটি সেকন্ড ঈশ্বরের বিচারে গণনা করা হবে; এক এক করে; মানুষের নিজের জন্য সবকিছুর উর্ধ্বে বিচার অনুরোধ করা হয়েছে; সেই পরিভাষাঃ সবকিছুর উপরে, মানে মানব সৃষ্টি নিজে নিজেকে ক্ষমা করেনি, ঈশ্বরের আইন অমান্য করার কোন সামান্য অপরাধও; এটা এমন ছিল যে জীবন পরীক্ষায় যদি তাকে ঈশ্বরের আইন অমান্য করতে হতো; এবং সেটা সে করেছে।  

 লিখেছেনঃ আলফা এবং ওমেগা

বাংলা দ্বিতীয় ইংরেজি। 

কি আসতে চলেছে

যা হবার তা প্রত্যেক ক্ষেত্রেই হবে; এটি লিখিত ছিল, প্রত্যেককেই তাদের কাজ দ্বারা বিচার করা হবে; বারো বছর বয়স থেকেই গণণা শুরু হবে সে স্বর্গীয় বিচারের যা ঈশ্বরের অভিপ্রায় থেকে প্রণিত; শুধুমাত্র শিশুরাই এর আওতায় পড়বেনা; ঈশ্বরের এ বিচার তথাকথিত প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনের এক একটি পরীক্ষা; এক মূহুর্তে যা ভাবা হবে তাই হবে অস্তিত্বের তুল্যতা; যেভাবেই ভাবা হোক, এটি একটি অদৃশ্য বা অপ্রত্যাশিত আলোর উপস্থিতি; কেননা ঈশ্বরের কোন সীমা নেই। তাঁর সৃষ্টির ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রচেষ্টার জন্যই তাঁর শাশ্বত প্রস্তাবনা সমুন্নত থাকে।

লেখক: আল্ফা এবং ওমেগা

স্বর্গীয় বিজ্ঞান

ঈশ্বরের মেষশাবক তত্ত্ব

এই প্রজন্মের জন্য ঈশ্বরের বিচার

কি আসতে চলেছে.-

লেখক: আল্ফা এবং ওমেগা

আমার ঐশ্বরিক পিতা যিহোবার টেলিপ্যাথিক আদেশ।

ভবিষ্যতের স্ক্রল শিরোনাম।

১.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে কথা রাখেনি, যারা কথা রাখেনি, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; যারা অন্যকে দেওয়া কথা রাখেনি, তাকে দেওয়া কোথাও রাখা হবে না; অনির্ভরযোগ্যদের কারণে মানুষের একসাথে থাকা আরই তেঁত হয়ে উঠেছে; অনেকে সাথে মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছে তাদের অনির্ভরযোগ্যতার কারণে; জীবনের পরীক্ষায় প্রতেক অনির্ভরযোগ্য কে তার মাসুল দিতে হবে অসত্তিতের মাধ্যমে, অন্যদের অসম্মান করার জন্য; এই অসত্তিত যাকে তারা ঠকিয়েছে তাদের মাংসে লোমকুপের সংখ্যার সমান; যে সবার প্রতি আন্তরিক ছিল, সে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে; যে মস্তিস্কের প্রতিরোধের বিরোধিতা করতে জানত না সে, যে অদ্ভূত ভাবে কথা রাখেনি সে স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে না।

২.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অদ্ভূত দুনিয়ার অবিচারের বিরিধিতা করেছে, যা এসেছিল অদ্ভূত সোনার আইন থেকে; এই অদ্ভুত জীবন প্রণালীর প্রতিটি বিরোধিতা, যা স্বর্গ রাজ্যে লেখা নেই, তাকে স্বর্গ রাজ্যে পুরস্কার দেওয়া হয়; এই পুরস্কার প্রতি সেকেন্ডের জন্য হয়; আর প্রতি সেকেন্ড কে হাজার দিয়ে গুন করা হয়; এটা যৌথ স্কোর হওয়ার কারণে; বিরোধিতা একার নয়; সবাই কে নিয়ে; এই স্কোর সমস্ত মানবতা অন্তর্ভুক্ত; যারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছে, জীবনের অনেক পয়েন্ট অর্জন করেছে, কারণ লোমকুপের মোট সংখ্যা, সমস্ত মানবতা।

৩.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে সহজ অপশন বেছে নিয়েছিল, জীবনের পরীক্ষায় সহজ জিনিসের কোনো পুরস্কার নেই; সহজ জিনিস আত্মার জন্য উন্নত পুরস্কার; জীবনের পরীক্ষায় আছে প্রতি মুহুর্তে অনুভূতির মাধ্যমে নিজেকে আরও উন্নত করা; প্রাচুর্যের অনুভূতি ঐশ্বরিক ফল কে পিছনে ফেলে রেখেছিল আর ভাগ করেছিল; আর আত্মাকে কাজের থেকে দূরে সরিয়ে রাখেছিল; কাজ প্রতিনিধিত্ব করে সর্বোচ্চ স্কোরের; কারণ ইটা এসেছিল ঐশ্বরিক নির্মাতার থেকে; যারা ইশ্বরের যা তার অনুসরণ করেছিল, পরীক্ষার দূরবর্তী গ্রহে, তারাই স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে, যারা অনুসরণ করেনি তারা প্রবেশ করবে না।

৪.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে তারা ঈশ্বরের কাছে যা অনুরোধ করেছিল তা গ্রাহ্য় করেনি, জীবনে সবার পরীক্ষা হয়, প্রতি মুহুর্তে; এই আইন বোঝা দরকার, কারণ পরীক্ষার দুনিয়া, তৃতীয় তত্ব শেখে যা দুনিয়ার বিচার করে; আর সব কিছু সৌর টেলিভিশনে দেখা যাবে; যা হচ্ছে জীবনের পুস্তক ঐশ্বরিক গসপেল।

৫.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে খুঁজেছে তাদের মন কী বলতে চাইছে; প্রতিটি খোঁজা ঈশ্বরের কি তা ভাবার ব্যাপারে হওয়া উচিত ছিল, কারণ তারই প্রতিশ্রুতি মানুষের আত্মা দিয়েছিল; খোঁজা ঈশ্বরের আগে বলে, তাই আছে খোঁজার আইনে; প্রতিটি খোঁজা ঐশ্বরিক পিতা জেহোভার কাছে অভিযোগ, যখন তাদের বাইরে রাখা হয় ঈশ্বরের ঐশ্বরিক মোহর ছাড়া; যারা ইশ্বর কে নিজেদের অনুসন্ধানে তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে, যারা ইশ্বরের অনুসন্ধান করেনি তারা প্রবেশ করবে না। 

৬.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে বুধি প্রয়োগ করে অনেক সুন্দর জিনিস লিখেছে; সব লেখকের প্রতিটি অক্ষরের বিচার হবে; কারণ তারা আত্মার বেশে নিজেরাই অনুরোধ করেছে, কল্পনার সব জিনিস দিয়ে তদের বিচার করা হোক।

৭.- যারা অন্যের বিশ্বাস ভেঙেছে, জবনের পরীক্ষায়, তাদের প্রতি সেকেন্ডের দাম দিতে হবে; এই কুকর্ম যতক্ষণ চলেছে তত অন্ধকার স্কোর দোষীদের খাতায় যোগ হয়; এই দোষীরা তাদের জীবন ধারার মাধ্যমে, যৌথ অবিশ্বাসের একটা দুনিয়ায় অংশ গ্রহণ করেছে, যারা নিয়ম মানেনি তাদের বিরুদ্ধে বিচার হবে, দোষীদের তাদের প্রতি সেকেন্ড দোষের মাসুল দিতে হবে; যারা এক কণাও দোষ করেনি খুব সম্ভাবত শুধু তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা নিজেদের অবিশ্বাস ও অবিচারের অদ্ভূত অন্ধকার দ্বারা প্রাভাবিত হতে দিয়েছে তারা প্রবেশ করতে পারবে না।

৮.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকের বিয়ে বেক্তিগত কারণে ভেঙে দেয়, যারা ভেঙেছে তারা ঐশ্বরিক পারাবলের সাবধানবাণী ভুলে গেছে, যেখানে বলা আছে: অন্যদের সাথে এমন কিছু করনা যা তুমি চাওয়া না তারা তোমার সাথে করুক; যারা নিজেদের খেয়ালখুশির দ্বারা প্রাভাবিত হতে দিয়েছে, তাদের খেয়ালখুশির প্রতিটি মুহূর্ত যোগ করা হবে, ও প্রীতি মুহুর্তের দাম দিতে হবে, কারণ প্রতিটি মুহুর্তের যোগ আছে তাদের স্বর্গরাজ্যে অস্তিত্বের সাথে; কারণ ইশ্বরের কাছে অনুরোধ করা হয়ছিল বিচার সর্বপ্রথম আসে; সর্বপ্রথম এই শব্দের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম বিস্তু যা কল্পনা করা যায়; এর মধ্যে আছে সেকেন্ড, মুহূর্ত, আইডিয়া আর মলিকিউল; যারা মস্তিস্কের প্রতিরোধের বিরোধিতা করেছে আর খেয়ালখুশির দ্বারা প্রাভাবিত হয়নি তারাই স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা এই অদ্ভুত অনুভূতিতে ঘুমিয়ে ছিল তারা প্রবেশ করতে পারবে না।

৯.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অন্যদের প্রাভাবিত করেছে; ঐশ্বরিক অন্তিম বিচার দ্বারা প্রতিটি উপদেশের বিচার হবে; যারা অন্যদের ভাগ বা আলাদা হওয়ার উপদেশ দিয়েছে, তারাও ভাগ, আলাদা, বিভ্রান্তি, অপ্রতিভ, অযোগ খুঁজে পাবে ইশ্বরের ঐশ্বরিক বিচারে; তারা বিভ্রান্ত হবে অন্য দুনিয়ায়; যারা নিজেদের উপদেশ ও যুক্তি তে একসাথে থাকবে, তারাই স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে; যারা আলাদা করেছে তারা প্রবেশ করবে না।

১০.- যারা অন্যদের ব্যাথা দিয়েছে, তারাও তাদের অস্তিত্বে ও পরবর্তী অস্তিত্বে ব্যাথা পাবে; কারণ তারা নিজেরা ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ করেছিল তাদের একই ভাবে বিচার করা হোক, যদি আইন অমান্য করা হয়; কারণ আত্মার দ্বারা অনুরোধ করা বিচার কণায় কণায়, সেকেন্ডে সেকেন্ডে, পূর্ণ করা হয়; যারা মস্তিস্কের প্রতিরোধের বিরোধিতা করেছে অন্যদের অনুভূতির খেয়াল রেখেছে তারাই স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা নিজের অদ্ভুত অনুভূতি দ্বারা প্রাভাবিত হতে দিয়েছে তারা প্রবেশ করতে পারবে না।

১১.- জীবনের পরীক্ষায়, যারা সময়ের অনুরোধ করেছিল তাদের জন্য সময় খুব মূল্যবান; প্রতিটি চলে যাওয়া সেকেন্ড, ভবিষ্যতের অস্তিত্বের সমান; যারা কিছুই না করে সময় নষ্ট করেছে, তারা অগন্তি ভবিষ্যতের অস্তিত্ব হারিয়েছে; তারা নিজেরাই সময় নষ্ট করে, স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশের দার বন্ধ করেছে; পিতার রাজ্যে প্রবেশ করার জন্য নিজেদের লোমকুপের সমান সংখ্যক আলোর স্কোর প্রয়োজন ছিল।

১২.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অন্যের আদেশ পালন করেছে; যে অন্যের আদেশ পালন করেছে, নিশ্চয়ই জানতে পেরেছে যে আদেশ করেছে সে ইশ্বরের ঐশ্বরিক আইন মেনেছে কিনা; যারা অন্যের আদেশ মেনে ইশ্বরের যা তাকে অবজ্ঞা করেছে, তারা স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে না; যে নিয়ম ভাঙা শুরু করেছে বা যারা তাকে অনুসরণ করেছে, তারা ইশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করবে না; যে যারা ইশ্বরের আইন মানেনি তাদের অনুসরণ করেনি, তারাই স্বর্গ রাজ্যে অবার প্রবেশ করবে; যারা অসৎ ব্যক্তির আদেশ অনুসরণ করেছে তারা প্রবেশ করবে না। 

১৩.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে মজা করেছে; যারা ইটা করেছে, তারা একই প্রতিবন্ধীতা দিয়ে দাম মেটাবে যার মজা করেছে; জীবনের পরীক্ষায় যারা অন্যের মজা করেছে, তারা সতসহস্র মাংসের কণা পেয়েছে নির্যাতক হিসাবে ইশ্বরের ঐশ্বরিক বিচারে, যার যোগ আছে সবার আগে যার মজা করা হচ্ছে তার সাথে; যারা মজা করেছে তাদের একজন ও স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; যদি সতসহস্র ছোট বেক্তিগুলো ক্ষমা করে, তাহলে ঐশ্বরিক পিতাও ক্ষমা করবে; যদি সতসহস্র ছোট বেক্তিগুলো ক্ষমা না করে, যে মজা করেছে তাকে স্বর্গরাজ্যের অস্তিত্ব অবার পূর্ণ করতে হবে, অভিযোগের প্রতিটি কণার জন্য; যারা মস্তিস্কের প্রতিরোধের বিরোধিতা করেছে অন্যদের মজা করেনি তারাই স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা নিজেদের এই অদ্ভুত অন্ধকার দ্বারা প্রাভাবিত হতে দিয়েছে তারা প্রবেশ করবে না।

১৪.- তথাকথিত তৃতীয় বিশ্বের ট্রিনিটির দুনিয়া; এই দুনিয়া গ্রহের ভাগ্য নির্ধারণ করে; যারা এত দিন আধিপত্য বিস্তার করেছিল.- এখন তারা নিচের দিকের ভূমিকায় চলে যায়; এই অদ্ভুত দুনিয়া যা সোনার আইন থেকে এসেছে, ধ্বংস হতে শুরু হয়; পচনশীল মাংস যাদের আছে তাদের মাংস যাবে যাদের পুনরুথান হবে তাহের কাছে; একটা দুনিয়া ছেড়ে চলে যায় আর একটা দুনিয়া আসে; পরীক্ষার দুনিয়া শেষ হয়, নতুন দুনিয়ার বিস্তার হয়।

১৫.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে বিশ্বাস করে যা ইশ্বরের কাছ থেকে এসেছে, তা তাদের সন্তুষ্ট করতে এসেচে; যা ইশ্বরের তার সন্তষ্টির প্রয়োজন নেই; সন্তষ্টির প্রয়োজন নেই বলে নিজেকে বিস্তার করতে পারে; বিজ্ঞাপন ও প্রপাগান্ডা মানুষের কাজ; ইশ্বরের যা তা এমনভাবে বিস্ত্রিত, জীব লক্ষ করে না, তার পরিনতি ঘটছে; যে ইশ্বরের কোনো সীমা নির্ধারণ করেনি, সে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে, যে ইশ্বরের সীমা নির্ধারণ করেছে সে প্রবেশ করতে পারবে না।  

১৬.- বিচারের জগতে অনুরোধকৃত প্রতীকের আগমন, কয়েক বছর পিছিয়ে পরেছে; যারা ইটা প্রথমে পাওয়ার অনুরোধ করেছে, ভুল করে ভেবে থাকে ইটা মানুষের থেকে এসেছে, তাদের সর্বপ্রধান পরীক্ষা ছিল বোঝা কোনটা ইশ্বরের; উদঘাটনের মুহুর্তে যাদের মনে শঙ্কা ছিল, তারা স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; যতক্ষণ তারা বিচার করছিল কোনটা মানুষের ও কোনটা ইশ্বরের, তার প্রতিটি সেকেন্ড যোগ করা হবে, যারা উদঘাটনের অনুরোধ করেছিল, সম্ভবত তারা উদঘাটনের সময় সেটা অস্বীকার করেনি, তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা অস্বীকারের অদ্ভুত প্রভাবে প্রাভাবিত হয়েছিল তারা প্রবেশ করতে পারবে না।

১৭.- স্বর্গীয় স্কোর যার অনুরোধ সবাই করেছিল তা হল সর্বোচ্চ মানের নীতি যার কল্পনা মানুষের মন করতে পারে; অদ্ভুত জীবন প্রণালী যা, সোনার নিয়ম থেকে এসেছে, এই নীতি বিকৃত করে; পরীক্ষার দুনিয়া নিজের পরীক্ষা শুরু করে, বিকৃত আলোর স্কোর দিয়ে; ইটা শুরু হয় একটি ছোট পুরস্কার দিয়ে; যেটা প্রীতি মুহুর্তে আরো ছোট হতে থাকে; এই কারণে লেখা হয়ছিল: শুধুমাত্র শয়তান ভাগকরে আর নিজেকেও ভাগ করে; যারা নিজেদের নিজের বিভাজন দ্বারা প্রাভাবিত হতে দেয়নি, স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে; যারা এই অদ্ভুত অনুভূতির কোনো বিরোধিতা করেনি তারা প্রবেশ করতে পারবে না। 

১৮.- যারা যারা ইশ্বরের ভেড়ার উদঘাটন কে খ্রীষ্টশত্রু বলেছিল, আর স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে না; কারণ তারা নিজেদের পরীক্ষায় ফেল করেছে; তাদের পরীক্ষা ছিল অস্বিকার না করা; সবাই তাদের অজানা সবকিছু অস্বিকার করে; প্রতিটি দ্রুত বিচার করা হয়ছিল না ভাবে যে তাদের কাজের বিচার করা হচ্ছে, যারা দ্রুত বিচার করেছে তাদের, কান্না ও রাগ জড়িত সবসময় এর সাথে জড়িত; যারা কারণ বিবেচনা করে বিচার করেছে, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে; যারা দ্রুত বিচার করেছে তারা প্রবেশ করতে পারবে না। 

১৯.- যারা অদ্ভুত দায়ত্ব নিয়েছে অন্যের জাতীয়তা চিনিয়ে নেওয়ার, তাদের স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করার অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হবে; যে দেশ সবাই ইশ্বরের কাছে অনুরোধ করেছিল তার মধ্যে সমস্ত গ্রহ অন্তর্গত ছিল; গ্রহের মলিকিউল ইশ্বর পুত্রের কাছে অভিযোগ জানাবে, যে অনেক মানুষ, তাদের সাধারণ কিছু ভাবে গণ্য করেনি; যা সাধারণ তাই স্বর্গ রাজ্যে সবাই অনুরোধ করেছিল; কেউ অনাসক্তি আর অন্যর কাছ থেকে চিনিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেনি; যারা পুরো গ্রহকে নিজের দেশ বলে মেনেছে তারাই.- স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে; যারা শুধু নিজেদের অংশ হিসেবে মেনেছে তারা প্রবেশ করবে না; পরবর্তী ব্যক্তিরা অনন্ত আলোর স্কোর হেরে যাবে, যাকে বলা হয় প্ল্যানেটারি মলিকিউল স্কোর; অনন্ত সংখ্যা তাদের অবার স্বর্গ রাজ্যে ঢুকতে দিত; জীবনের পরীক্ষায় লেখা ছিল শুধুমাত্র শয়তান ভাগ করে আর নিজেকে ভাগ করে।

২০.- উদ্ধৃতি চিহ্নের সাইকোলজিক্স, যে সব সত্ত্বেই সন্দিহান একটি উত্তেজনামূলক মনোবিজ্ঞান; যে ক্ষুদ্রতম সন্দেহ নির্মান করে, সে স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করে না; যারা উত্তেজনামূলকভাব ব্যাবহার করে, জীবনের পরীক্ষায় তারাও প্রবেশ করে না; যারা উত্তেজনামূলকভাব ব্যাবহার করে পরীক্ষার দুনিয়ায় পিতার উপস্থিতি ঘোষণা করতে, তারাও প্রবেশ করতে পারবে না; যারা অনন্ত ও অজানা কে, প্রাকৃতিক কিছু মনে করে, তারা স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে, যারা সন্দেহ করেছে তারা প্রবেশ করবে না। 

২১.- ইশ্বরের ভেড়ার ভূমিকা উদঘাটন গ্রহন, বিশ্বের সাংবাদিকদের দ্বারা, কোনো সন্দেহ ছাড়াই হওয়া উচিত ছিল; ইশ্বরের যা তা মানুষের ভাবা, ইশ্বরের হয়ে বিচারের স্থান নেয়; জীবনের পরীক্ষার মধ্যে ছিল নিজেকে অজ্ঞাত না হতে দেওয়া, নতুন উদঘাটনের আবির্ভাব থেকে; কারণ মানুষের আত্মাই বিশ্বের সব উদঘাটনের অনুরোধ করেছিল; যে সব সাংবাদিকরা উদঘাটনগুলি কে সর্বসময়ের, সর্বশ্রেষ্ঠ সংবাদ হিসেবে দ্রহন করেছে তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে; যা ইশ্বরের কাছ থেকে এসেচে তাকে ছোট করে তারা পিতা কে ছোট করেছে; কেউ তারা স্বর্গরাজ্যে কি অনুরোধ করেছিল তাকে অনন্য, বলে গ্রাহ্য করেনি; তারা সাধারণ খবর বলে ভেবেছিল, যা আপনা থেকেই পৃথিবীতে এসেছে; তাদের বিচার ও সাধারণ মেনে হবে। 

২২.- জিবিনের পরীক্ষায়, অনেক রকমের অনাচার অত্যাচার করা হয়েছে; সব কিছু সৌর টেলিভিশনে দেখা যাবে, যাকে জীবনের বই ও বলা হয়; সব কিছুর বিচার হবে; আরমাগিদোনের অনুরোধ সবাই করেছিল; প্রতি সেকেন্ডের ঐশ্বরিক বিচার হবে; যে কোনো আইডিয়া, এই মুহুর্তের মধ্যে যে আইডিয়া আসে, সব কিছুর বিচার হয়; এটা শুরু হয় বারো বছর বয়স থেকে; বাচ্চাদের কোনো বিচার হয় না; তারা আশির্বাদ প্রাপ্ত।

২৩.- যত বার ঐশ্বরিক পিতা জেহোভার দূত কে অপেক্ষা করানো হয়েছে, তার প্রতি সেকেন্ডের দাম দিতে হবে; কারণ কেউ সন্দেহের অনুরোধ রাখেনি, যা ইশ্বরের পাঠিয়েছে তার প্রতি, দুরিবর্তি গ্রহে সময় সময়ে, এক সেকেন্ড ও নয়; সবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা তাৎক্ষণিক ভাবে গ্রহণ করবে যা ইশ্বরের, জীবনের পরীক্ষায়; যারা তাৎক্ষণিক ভাবে গ্রহণ করেছে যা ঈশ্বরের, তারা তক্ষুনি অনন্ত স্কোর লাভ করেছে; যা ইশ্বরের তাকে অপেক্ষা করিয়েছে, তারা নিজেদের বিভক্ত করেছে।

২৪.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অনেক ভাবে সত্যের সন্ধান করেছে; অতিপ্রাকৃত উপায় সত্যের সন্ধান করা; স্বর্গরাজ্যের অংশ নয়; অতিপ্রাকৃত কিছুই স্বর্গরাজ্যে করা হয় না; সবচেয়ে মহান অনুসন্ধান হল কাজ; কাজ সব কিছুর সৃষ্টিকর্তার উপাসনার প্রতিনিধিত্ব করে; একই রকম কিছুই নেই; কারণ যারাই কাজ করেছে তারা অনুসরণ করেছে, ইশ্বরের ঐশ্বরিক দর্শন; পিতা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ কর্মী; তার ঐশ্বরিক কাজের অন্তর্গত অস্তিত্ব ও শান্তি বজায় রাখা; যে ইশ্বরের অনুকরণ করবে, যে ইশ্বরের যা তার অনুকরণে স্কোর লাভ করবে; আর শেখানো হয়ছিল ইশ্বরের অসীম, তাই সেই স্কোরের কোনো সীমা নেই।

২৫.- জীবনের পরীক্ষায় অনেক অনুসন্ধান ছিল, পৃথক করতে জানতে হত, কোনটা পৃথিবীর, কোনটা পৃথিবীর বাইরের; যা পৃথিবীর তা ক্ষণজীবী আর সমাধি পর্যন্ত তার অস্তিত্ব; যা পৃথিবীর বাইরের তা চিরস্থায়ী; জীবনের পরীক্ষায় মানুষের ভাবনার ধরণ, তার ভবিষ্যতের গ্যালাক্টিক অস্তিত্বের সাথে সম্পর্কিত; যারা সেচ্ছায় নিজেদের সীমিত করেছে, তাদের সীমিত করা হবে; যারা অসীমে বিশ্বাস করেছে, তারা অসীম হবে, সবাই নিজের ভাবনা অনুসারে, নিজের স্বর্গ গঠন করে; যারা কিছুই ভাবেনি; তাদের কোথাও স্থান হবে না; যারা রাজ্যে বিশ্বাস করেছে, তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা বিশ্বাস করেনি তারা প্রবেশ করতে পারবে না।

২৬.- জীবনের পরীক্ষায়, কলঙ্ক বিশ্বজুড়ে প্রসারিত হয়; যেখানে যেখানে কলঙ্ক ছিল সেখানে সৌর টেলিভিশন আসবে; দেখানো হবে পরক্ষার দুনিয়া, আর তার অভিনেতাদের অভিনয়; যারা কলঙ্ক ছড়িয়েছে তাদের একজনও আর কখনও স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; কলঙ্কের এক সেকেন্ডের দাম স্বর্গ রাজ্যের বাইরে একটা অস্তিত্ব; খুব সম্ভবত যে জিবিনের পরীক্ষায় প্রারম্ভিক হওয়ার অনুরোধ করেছে, সে স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে; যে কলঙ্কিত সে প্রবেশ করবে না।

২৭.- জীবনের পরীক্ষায়,অনেক অতিপ্রাকৃত সত্ত্বা ছিল; জীবনের পরীক্ষায় যা কিছু অতিপ্রাকৃত ছিল, সৌর টেলিভিশনে দেখা যাবে; কিছুই অতিপ্রাকৃত মানুষের বিবর্তনের অংশ হবে না; যারা অতিপ্রাকৃত ভাবে থেকেছে, তাদের সময়ের হিসাব করা হবে, যখন তারা অতিপ্রাকৃত ভাবে থেকেছে; অদ্ভুত অতিপ্রাকৃতের প্রতি সেকেন্ডের জন্য, স্বর্গরাজের বাইরে একটা অস্তিত্বের দাম দিতে হবে; যে অতিপ্রাকৃত দ্বারা আকৃষ্ট অনুভূতির অনুরোধ করেনি, তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা অনুরোধ করেছে তারা প্রবেশ করতে পারবে না।

2৮.- অনেক অবিচার হয়েছে, জীবনের পরীক্ষায়; সমস্ত অদ্ভুত অবিচার সৌর টেলিভিশনে দেখা যাবে; এই টেলিভিশনে থাকবে বৈশিষ্ঠ যখন এই অবিচার হয়েছে; টেলিভিশনটি দর্শকদের কাছে নিজের ভাব ব্যক্ত করে; ইশ্বরের পুত্রের কাছে কিছুই অসম্ভব নয়; এটাই ঐশ্বরিক পারাবলে লেখাআছে: আর সে আসবে গৌরব ও মহিমার সাথে। 

২৯.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে দেখেছে যা তাদের দেখা উচিত হয়নি; তাদের যা দেখা উচিত ছিল, টা আসা ইচিত ছিল শুধুমাত্র একটি মানসিক ভাবনা থেকে; জীবনের পরীক্ষায় ছিল সমস্ত কল্পনীয় ভাবে যৌথ হওয়া; স্বর্গরাজ্যের ঐশ্বরিক সমতার অনুকরণে; যা ঈশ্বরের তা কাউকে ভাগ করে না; এই অদ্ভুত বিভাজন যা পরীক্ষায় দুনিয়া শিখেছে, এসেছে যারা এই অদ্ভুত জীবন প্রণালী সৃষ্টি করেছে তাদের কাছ থেকে, যেটা এসেছে অদ্ভূত সোনার নিয়ম থেকে।

৩০.- প্রত্যেকের ফলের ভাগ, অদ্ভুত মানসিক ভারসাম্যহীনতা সমানুপাতিক, যা সবাই উত্তরাধিকারসূত্রে অদ্ভুত জীবন প্রণালী থেকে পেয়েছে, যা এসেছে সোনার নিয়ম থেকে; এই প্রভাব গুলি যে গুলিকে ইশ্বরের কাছে অনুরোধ প্রাপ্ত অনুভূতি গুলি গ্রহণ করেছে, তার প্রতিটি মলিকিউল বিচার করা হয়; ব্যাপারটি এর পরিপ্রেক্ষিতে, ঐশ্বরিক অন্তিম বিচারে কাঁদে; এই কাঁদা মাসুল দিতে হয় আত্মার ভাবনা কে।

৩১.- যে বিশ্বের জঞ্জালের শুধু একটা মলিকিউল উঠিয়েছে, সে জীবনের একটা পয়েন্ট পাবে; সে একবার বেছে নিতে পারবে ইশ্বরের কাছে তার অস্তিত্ব; যা পরীক্ষার দুনিয়ার রাস্তা থেকে তোলা হয়েছে, তার প্রতিটি মলিকিউলের জন্য পুরস্কার দেওয়া হবে; বিশ্ব এর আবর্জনা সংগ্রাহকরা, তত আলোর পয়েন্ট পেয়েছে, যত আবর্জনা তারা তাদের জীবনে সংগ্রহ করেছে তার প্রতিটি মলিকিউলের সমান; কারণ আবর্জনা সংগ্রাহকের কাজ একটি সামাজিক কাজ, প্রতিটি মলিকিউল হাজার দিয়ে গুন করা হবে; সম্ভবত যে জীবনের পরীক্ষায় আবর্জনা সংগ্রাহ করেছে, সে স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে; আর যারা রাস্তায় আবর্জনা ফেলেছে তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না।

৩২.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে যারা ইশ্বরের ভেড়ার অস্তিত্বের ভূমিকার কথা জানত, নিজস্ব বিশ্বাসের অনুসরণ করে; জীবনের পরীক্ষায় ছিল সবকিছুর আগে একটি অনন্য রাস্তা চিনে নেওয়া, ইশ্বর যা পাঠিয়ে ছিলেন তাহল জীবনের পরীক্ষায় একটি মুহূর্ত; চিনে নেওয়াটা আরো তাৎক্ষণিক হওয়া উচিত ছিল; যারা নিজেরা স্বর্গ রাজ্যে যা অনুরোধ করেছিল তাতে ফেল করেছে, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; কারণ ঐশ্বরিক উদঘাটন ইশ্বরের আগে ভাব প্রকাশ করে, উদঘাটনের আইনে; যারা ঐশ্বরিক উদঘাটন অগ্রাহ্য করে তাদের দোষ দেয়; যারা রাজ্যের দ্বারা পাঠানো খবরে বিশ্বাস করেছিল, তারা স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে। 

৩৩.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে ঐশ্বরিক উদঘাটনের, দায়বদ্ধতা পালন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যেগুলি তারা নিজেরা স্বর্গ রাজ্যের কাছে অনুরোধ করেছিল; আর তারা প্রতিশ্রুতি রাখেনি; তারা স্বর্গরাজ্যের কাছে অনুরোধ না করে অন্যদের অপেক্ষা করা করিয়েছে; তাদেরও অপেক্ষা করানো হবে, অন্তিম বিচারের ঐশ্বরিক অনুষ্ঠানে; কারণ অদ্ভুত প্রতিক্ষার যা ইশ্বরের তার, তাদেরকে অবার বাঁচতে হবে, আরেকবার স্বর্গরাজ্যের বাইরে; ইশ্বরের যা টা অসীম; সবাই জানত, জীবনের পরীক্ষায় আসার আগেই; ক্ষুদ্রতম মানসিক প্রচেষ্টার জন্য, সব কিছুর ঐশ্বরিক নির্মাতা, অসীম অস্তিত্ব প্রদান করেন; যারা ইশ্বরের রাজ্যে যার অনুরোধ করেছিল তা পালন করতে পারবে, তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে; যারা জীবনের পরীক্ষায় সেগুলো ভুলে গেছিল তারা প্রবেশ করতে পারবে না।

৩৪.- যারা অন্যদের তাঁকে একটি দেশের প্রসিডেন্ট, রাজা বা ডিকটেটর নির্বাচন করতে অনুপ্রাণিত করেছেন স্বাধীন ইচ্ছার নির্বাচনের মাধ্যমে, এবং অন্য যারা একই কৃতিত্ব পেতে চেষ্টা করেছে, শক্তি প্রয়োগ করাতে প্রলুব্ধ হয়ে, তাঁদের মধ্যে প্রথম যাঁরা তাঁরা স্বর্গরাজ্যের কাছাকাছি আসতে পারে; দ্বিতীয় দোষী সাব্যস্ত করার আইন; জীবনের কাঠগড়ায়ে গায়ের জোর প্রয়োগ করা, মানুষের সরলতার সবচেয়ে বড় বিরোধিতা; কেউই ঈশ্বরকে অনুরোধ করেনি, কোন রকম গায়ের জোর ব্যবহার করা; সবাই ভালবাসার আইনের অনুরোধ করেছে।

৩৫.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে সত্য সন্ধানের বিভিন্ন দলে বিভক্ত; পৃথক অনুসন্ধান চেয়ে; ঐক্যবদ্ধ অনুসন্ধানই খুব সম্ভবত স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; বিশ্বের আধ্যাত্মিক বিশ্বাসীদের, শুধু একমাত্র ফ্রন্টে সংযুক্ত হওয়া উচিত ছিল; যে আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান জীবনের পরীক্ষাযর একীকরণ অনুসন্ধান কারেনি, তারা চিরন্তনরূপে থেকে যায়, অদ্ভুত বিভাগ, যা সোনার আজব আইন থেকে আবির্ভূত হয়েছিল; সব অধ্যাত্মবাদীর জানা, যে শুধুমাত্র শয়তানে ভাগ করে; অদ্ভুত জীবন প্রণালী, সোনার আজব আইন থেকে আবির্ভূত হয়েছে, শাসনের শাসনতান্ত্রিকভাবে শাসনের জন্য বিভক্ত হয়; বিশ্বাসের একটি নিয়ম, যা বিশ্বাসের অদ্ভুত বিভাগ দূরে রাখে, স্বর্গরাজ্যের ভেতর প্রবেশ করে; যারা বিভক্ত করে তারা নয়।

৩৬.- জীবনের বিচার, অনেকে তারা যা চায়নি তা স্বর্গরাজ্যে দেখতে পেল; কেউ ঈশ্বরের কাছে অন্যায্য কিছুর অনুরোধ করেনি; জীবনের অদ্ভুত প্রণালী থেকে অন্যায্য প্রকাশ পায়, যার অনুরোধ ঈশ্বরের কাছে কেউ করেনি.- সবাই নিজেদের এবং অন্যদের জন্য সমতার অনুরোধ করে; ঈশ্বরের ঐশ্বরিক গসপেলে তাই শেখানো হয়; মানুষ জীবন প্রণালী সৃষ্টি করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়, জীবনের পরীক্ষায়, সই বিবেচনায় ঈশ্বরকে গ্রহণ করেনি; যে মানুষ ঈশ্বরের যা তা বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেয় তারাই, তারা খুব সম্ভবত স্বর্গে প্রবেশ করতে পারবে; যারা ভুলেগেছে তারা নয়।

৩৭.- জীবনের পরীক্ষায় অনেকে যারা তাদের সাহায্য করে তাদের প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়; এই অদ্ভুত অকৃতজ্ঞার, প্রতি সেকেন্ড, প্রতিটি অনু, প্রতিটি অ্যাটমের হিসাব দিতে হয়; যারা নিজেদের অকৃতজ্ঞার অন্ধকার দ্বারা প্রাভাবিত হতে দিয়েছে; মানুষের মানসিক প্রতিরোধের বিরোধিতা করেনি, এই অকৃতজ্ঞার অন্ধকারের বিরুদ্ধে; যারা এই অদ্ভুত প্রভাব জানার অনুরোধ করেছে মানুষের মানসিক প্রতিরোধের বিরোধিতা করেছে, জীবনের পরীক্ষার সময়, তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা কিছুই করেনি তারা পরবে না।

৩৮.- জীবনের পরীক্ষায়, যারা প্রথমের ঐশ্বরিক উদ্ঘাটন দেখার অনুরোধ করেছে, তারা পিতা জেহোভার দূত কে অপেক্ষা করিয়েছে; যা ঈশ্বরের তার জন্য অদ্ভুত অপেক্ষার, প্রতি মুহুর্তের হিসাব দিতে হবে; কেউ যা ঈশ্বরের তার জন্য অপেক্ষা করানোর অনুরোধ করেনি, জীবনের পরীক্ষায়, এক সেকেন্ড ও না; যারা এক সেকেন্ড ও অপেক্ষা করা করিয়েছে, স্বর্গরাজ্যে ঢুকতে পারবে না; তাদেরও ঈশ্বরের ঐশ্বরিক বিচারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে; খুব সম্ভবত যারা সচেতন ছিল ঈশ্বরের যা তার প্রতি, তারই স্বর্গ রজ্যে ঢুকতে পারবে, যারা ঘুমিয়ে ছিল তারা নয়।

৩৯.- জীবনের পরিক্ষায়, অনেক কাছে বাড়তি বাসস্থান ছিল; কাওকে তাতে থাকতে দেয়েনি; এই রকম অদ্ভুত সার্থপরতার প্রতি সেকেন্ড, প্রতি অনুর হিসাব দিতে হয়; সার্থপর যারা নিজের অন্ধকার দ্বারা প্রাভাবিত হতে দিয়েছে, তাদের প্রতি সেকেন্ড সার্থপরতার হিসাব করতে হবে; প্রতিটি সেকেন্ড তাদের অবার বাঁচতে হবে, স্বর্গ রাজ্যের বাইরে; যাদের অতিরিক্ত কিছুই নেই তারাই স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে, যাদের অপ্রয়োজনীয় প্রাচুর্য আছে তারা নয়।

৪০.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে যারা ঈশ্বরের ভেড়ার ভূমিকা দেখেছে, তার বিশ্বাস রেখেছে; তাদের স্বাধীন ইচ্ছা ছিল; কিন্তু, তারা তাদের নিজেদের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যর্থ হয়েছে; কারণ তাড়া নিজেরাই ঈশ্বর কে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, জীবিত জীবন যাপনের মাধ্যমে তাঁর কথা শনাক্ত করতে; যারা তাদের নিজেস্ব ধর্মের আকার পছন্দ করে, তারা ইশ্বরের সাথে যাবে, জবনের পরীক্ষায় জনতে হত কী বেছে নিতে হয়। 

৪১.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে ঈশ্বরের স্বর্গীয় গসপেল কে, অন্য বিশ্বাসের সাথে ভুল করে; সব প্রকার বিশ্বাস আসে জীবের স্বাধীন ইচ্ছা থেকে, যারা ঈশ্বরের হয়ে স্বর্গীয় বিচারের অপেক্ষা করেছে; এটাই যথেষ্ট অন্যর শেখানো বিশ্বাসের থেকে সতর্ক থাকার জন্য; জীবনের পরীক্ষায় অন্ধথাকার লক্ষণ, অনুভব না করা নয় যে বিশ্বাসের যোগ জীবন প্রণালীর সাথে থাকতে হবে; সবাই ইশ্বরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, বস্তু ও আধ্যাত্মিক এক করার; কেউ কোনো প্রকার বিভাজনের বা ভিন্ন অনুরোধ করেনি; কারণ সবাই জানত, কেবল শয়তানই ভাগ আলাদা করে ঐশ্বরিক পিতা জেহোভার বিরুদ্ধে গিয়ে; কেউ ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ করেনি, শয়তানের অনুকরণ করার, কারণ সবাই জানত শয়তানের অনুকরণ যে করবে সে আর স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।

৪২.- জীবনের পরীক্ষায় সমস্ত যৌথভাবে করা কাজ, অনেক আলোর স্কোর লাভ করে; যা কিছু একসাথে তাই ঐশ্বরিক সমতার প্রতিরূপ, পিতা জেহোভার দ্বারা শেখানো; যারা অন্যের কথা চিন্তা করে কাজ করেছে, তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; করা শুধুমাত্র নিজেদের কথা চিন্তা করে কাজ করেছে তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; একা একাতেই সীমিত থাকে; যৌথ যা কিছু বাড়তে থাকে; যা সামগ্রিক এবং সবার জন্য তাই ঈশ্বর; যা একার তা আত্মার; প্রতিটি সামগ্রিক কাজ ঐশ্বরিক অন্তিম বিচারে প্রতিনিধিত্ব করবে।

৪৩.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অন্যদের অনেক ধরণের বিশ্বাসের শিক্ষা দিতে চেষ্টা করেছিল; জীবনের পরীক্ষার, প্রথম প্রকার বিশ্বাস, ছিল এবং এখনও আছে পিতা জেহোভার ঐশ্বরিক গসপেলে ঐশ্বরিক দর্শন; প্রতিটি আত্মার স্বতন্ত্র ব্যাখ্যা, যে জীবনের পরীক্ষায় যেমন অনুরোধ করেছে, সেই মত ঐশ্বরিক অন্তিম বিচার হবে; যারা যা ইশ্বরের তাতে বিশ্বাস করে, তারা স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা যা মানুষের তারই নকল করেছে তারা পারবে না।

৪৪.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকের অন্যের চেয়ে বেশি ছিল; যারা গোষ্ঠী অংশ তাদের বেশি ছিল, তারা কম আলোর স্কোর পাবে; একটি অন্যায্য দুনিয়ায়, জীবনের পরীক্ষায় অন্তর্গত অনুধাবন করা, নিজে ইশ্বরের আইন লঙ্ঘন করছে কিনা; কারণ সবার, প্রথমে নিজেকে বিচার করা উচিত; অদ্ভূত না করার জন্য, ভাইয়ের চোখে খড় কুটো না দেখার জন্য, নিজে একটা রশ্মি পাওয়া যায়।

৪৫.- জীবনের পরীক্ষায় একজন মা যে নিজের সন্তান কে বড় করেছে আর একজন মা যে অন্যকে দিয়ে বড় করা করিয়েছে; প্রথম জন স্বর্গ রাজ্যের বেশি কাছে; কারণ তার সরাসরি যোগ আছে স্বর্গ রাজ্যের ঐশ্বরিক অনুরোধের সাথে; প্রথম মা কোনো মুহুর্তে মাত্রীত্বের অভিজ্ঞতা ছেড়ে দেয়নি; যে স্থির করে নির্ভরযোগ্য মা হবে, সে স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে; যারা নিজের কাজে অন্যের সাহায্য নিয়েছে তারা প্রবেশ করতে পারবে না।

৪৬.- জীবনের পরীক্ষার সময় যাদের, নিজেদের রঙ করার অদ্ভূত অভ্যাস ছিল, তাদের শতসদস্র লোমকুপের ঐশ্বরিক বিচারের মুখোমুখী হতে হবে,মাংস ও অত্মার শরীর, ঈশ্বরের কাছে সাধারণ ও প্রকৃতিক ভাবে পূর্ণ করার অনুরোধ করেছে; কেউ কৃত্রিম নিজের জন্য বা অন্যের জন্য অনুরোধ করেনি; কারণ সবাই অকৃত্রিম সবকিছু ঐশ্বরিক বিচার দ্বারা ইশ্বরের সামনে তুলে ধরা হবে; মানুষের জীবনের পরীক্ষায় অকৃত্রিম আসে, অদ্ভূত এবং জানা জীবন প্রণালী থেকে, যা স্বর্গ রাজ্যে লেখা নেই; যা সাধারণ ও প্রাকৃতিক টা আসে স্বর্গ রাজ্য থেকে; যারা জীবনের পরীক্ষায় রাজ্যের অনুসরণ করেছে, তারা রাজ্যে ঢুকতে পারবে; যারা ইশ্বরের রাজ্যের অনুসরণ করেনি তারা প্রবেশ করতে পারবেনা।

৪৭.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেক নিজেদের পরীক্ষা আরো বেশি যন্ত্রণা দায়ক করে তোলে নিজেদের অদ্ভুত ও সার্থপরতা জীবনযাপন দিয়ে; প্রত্যক জন ব্যবসায়ী, যারা সনার আইনে ফলে অদ্ভুত দুনিয়া থেকে আসে, তাদের তিনটি দুরাচার থাকে, তাদের ব্যবসায়ী হওয়ার অদ্ভুত দৃঢ়সংকল্পের পিছনে; প্রথম তাদের অদ্ভুত দৃঢ়সংকল্প দ্বিতীয় পৃথিবীর প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য নির্ধারণ করা; তৃতীয় কর্মচারীর লাভের আগে ব্যক্তিগত লাভ; এই সব অন্ধকার গুলির জন্য ব্যবসায়ীদের তিন গুন বেশি দিতে হয়; যাদের নিখুতের দিকে নজর থাকে, তারা কর্মী হওয়ার সির্ধান্ত নয়, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য, যারা ব্যবসায়ী থাকতে চায় তারা প্রবেশ করতে পারে না।

৪৮.- ঐশ্বরিক পুনরুত্থানকে যে সাহায্য করেছে, যেটা পিতা যজেহোভার স্বাধীনতা ঐশ্বরিক ইচ্ছা থেকে এসেছে, পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে সে অনেক অলোর পয়েন্ট পেয়েছে, যত সময়, মলিকিউল, আইডিয়া তারা ব্যবহার করেছে সেই মতো পয়েন্ট পেয়েছে; জীবনে আলোর স্কোরই সর্বোচ্চ স্কোর যা তারা লাভ করে তাদের জীবন কালে; কারণ ইশ্বরের কাছ থেকে যা আসে তার কোনো সীমা নেই; তার ঐশ্বরিক পুরস্কার অসীম; উদঘাটনের সাথে যারা পরিচিত, তারাই স্বেচ্ছায় যোগ দেয়, আর তারাই স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে; যাদের একই সুযোগ ছিল কিন্তু পিতা জেহোভার পাঠানো জিনিস কে গ্রাহ্য় করেনি, তারা প্রবেশ করতে পারে না।

৪৯.- জবনের পরীক্ষায়, প্রতিটি মানুষ প্রতিটি লোমকূপে জীবন উপভোগ করেছে; ঐশ্বরিক অন্তিম বিচারও প্রিতিটি লোমকুপের হয়; মানুষের আত্মার প্রতি কর্মে, যা সবার ও সব কিছুর উর্দ্ধে তা সবসময় উপস্থিত; যা আত্মা করেছে, প্রিতিটি আইডিয়া, প্রতিফলিত হয় শরীরের মাংসের প্রতিটি কণায়; ইশ্বরের বিচার, কণার ও আইডিয়া বিচার করে সমান ভাবে.- ১২ বছর বয়স থেকে শুরু করে; নিরীহতার কোনো বিচার নেই, ঈশ্বরের থেকে।

৫০.- জীবনের পরীক্ষায়, জানতে পৃথক করতে জানতে হত কোনটা তাদের ও কোনটা ইশ্বরের; কারণ জীবনের পরীক্ষায় লেখা ছিল: কোন ধরনের ছবি অথবা মন্দিরে প্রার্থনা করা যাবে না; ঐশ্বরিক অন্তিম বিচারে, সবাই একটা ছোট রুপোর ভেড়া পড়বে, কারণ এটাই ঐশ্বরিক আদেশ; যারা ঈশ্বরের ঐশ্বরিক ভেড়া পড়বে, তারা যতক্ষণ ও যত বার পড়বে তত আলোর পয়েন্ট লাভ করবে; যারা পড়েনি তারা একটাও আলোর পয়েন্ট পাবে না; এই স্কোর একটি বিশ্বাসের প্রতীকের সাথে যুক্ত যা আসে ঈশ্বরের ঐশ্বরিক ইচ্ছা থেকে।

৫১.- জীবনের পরীক্ষার প্রতিটি অদ্ভুত অপেক্ষার, বিচার হবে অন্তিম বিচারের সময়; আমলাতন্ত্রের কারণে প্রতিটি অদ্ভূত অপেক্ষা, আসে জীবন প্রণালীর অদ্ভুত সোনার নিয়ম থেকে, তার প্রতি মুহুর্তের হিসাব হয়, যারা আমলাতন্ত্রের সাথ দিয়েছে, তাদের দাম মেটাতে হয় আলোর পয়েন্ট দিয়ে, যাদের অপেক্ষা করিয়েছে তাদের; প্রতিটি সরকারি কর্মচারী এই অদ্ভুত এবং অজানা জীবন প্রণালীর, যা এসেছে সোনার নিয়ম থেকে, তাদের ইশ্বরের পুত্রের বিচার মানতে হবে, আমলাতন্ত্রের অন্ধকারে যে ভূমিকা সে পালন করেছে তার জন্য।

৫২.- জবনের পরীক্ষায়, অনেক লঘন ঘটে; অঙ্কের অধকার পদদলিত হয়, পৃথিবীর যেখানেই অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে, পৃথিবীর বিচার দেখানো হবে সোলার টেলিভিশনে; যারা গাড়ি করে অন্যদের ধাক্কা দিয়েছে, অন্যের দৃষ্টির আড়ালে; তাদের পৃথিবী জানবে; তাদের দুনিয়া ক্ষমা করবে না; যেমন তারা যাদের ধাক্কা দিয়েচে তাদের ক্ষমা করেনি; অনেক কে তারা রাস্তায় ফেলে চলে যায়; সেই খুনিদের একজনও আর আলো দেখতে পাবে না; তাদের অপকর্মের পর প্রতিটি সেকেন্ড চুপ থাকার জন্য তাদের অন্ধকার দুনিয়ায় বাস করতে হবে।

৫৩.- লুকানো দুর্নীতির যে বিচারের বিশ্ব সৌর টেলিভিশনে দেখতে পাবে তার মধ্যে আছে, অদ্ভুত নির্যাতন ও লঙ্ঘনের উদাহরণ, যা ঘটেছে সামরিক কোয়ার্টার, পুলিশ বিভাগ, পরিত্যক্ত বাড়ি, গোপন আস্তানা, ইত্যাদি জায়গায়, বেশির ভাগ দৈত্য যারা অন্যদের নির্যাতন করছে, তারা আত্মহত্যা করবে; তারা যদি হাজার বার নিজেদের হত্যা করে হাজার বার তাদের ঈশ্বরের পুত্রের দ্বারা পুনরুত্থিত হবে।

৫৪.- জবনের পরীক্ষায়, পৃথিবী ঐশ্বরিক চেরব সম্বন্ধে কিছুই জানত না; অনকে শুধু নাম জানত; শান্তির সহস্রাব্দে বা নতুন দুনিয়াতে, পৃথিবীর জীবরা দেখবে এবং জানবে চেরব কি, কারণ তাদের মাধ্যমে ইশ্বরের পুত্র প্রকৃতির উপাদানের ওপর কাজ করবে; চেরব বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক মাইক্রোস্কোপিক জিনিসের প্রতিনিধি।

৫৫.- চেরব এর আইন, প্রত্যেক মানুষের মন থেকে যে কোনও দর্শনের উপর জয়ী; উপাদানগুলি নির্দেশ করাতে, সকলের সর্বাধিক বিপ্লব; এই ঐশ্বরিক আইন জীবন প্রণালীর, ঈশ্বরের বিরুধ্যে যা, তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়; কারণ ঐশ্বরিক চেরব সব কিছু, বদল করে দেয়; এই অসীম সক্তির আইনে, লেখা আছে: আর তিনি সব চিন্তনীয় জিনিস পুনরুদ্ধার করবেন; যারা জীবনের পরীক্ষায় বিশ্বাস করেছিল, সে সব কিছুর পুনরুদ্ধার হবে, তারাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা ভেবেছিল সীমা আছে তারা পরনে না।

৫৬.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেক নতুন কিছু নূতন নিয়মের; যা অন্যরা জানত না; যারা বেশি জানত তারা যারা জানত না তাদের বলেনি, তারা স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করবে না; প্রতেক সার্থপর ব্যক্তিকে তাদের সার্থপরতার প্রতি সেকেন্ডের হিসাব দিতে হবে; কেউ কোনো প্রকার সার্থপরতার অনুরোধ ইশ্বরের কাছে করেনি; লুকানো জ্ঞান, ঈশ্বরের পুত্রের কাছে বিচার প্রার্থনা করবে; যারা জীবনের পরীক্ষায় কোনো কিছুই লুকায়নি, তারা স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করবে।

৫৭.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেকে অনেক কে কষ্ট দিয়েছে বিভিন্ন উপায়; অন্যের উপর করা প্রতিটি অদ্ভূত অবিচারের, সেকেন্ডে সেকেন্ডের, কণায় কণায় হিসাব করা হবে; জবনের পরীক্ষায় সমস্ত অবিচার সোলার টেলেভিশনে দুনিয়ার সামনে তুলে ধরা হবে; মানুষের মস্তিস্ক থেকে যা কিছু এসেছে, তারই বিচার হবে। 

৫৮.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেক ব্যবসায়ী অনেক কে প্রতারণা করে; প্রতিটি প্রতারণার হিসাব কণায় কণায় মেটানো হয়; টাকা হোক বা ধাতু, সব কিছু কণা হিসাবে গণ্য করা হবে; জীবনের পরীক্ষায়, কারুর টাকা ধার করে ব্যবসায়ী হওয়া উচিত হয়েনি; কারণ জিনিস এবং প্রয়োজনের মূল্য নির্ধারণ করার অদ্ভুত ভাবনা; স্বর্গরাজ্য থেকে আসে না; ব্যবসা একটা উপায়, জীবনে পরীক্ষায় বড় লোক হওয়ার; আর সবাই জানত তথাকথিত বড়লোকের এক জনও, আর স্বর্গ রাজ্যে ডুকতে পারবে না; যারা স্বর্গরাজ্যের নিয়ম মেনেছে তারা রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে; যারা অদ্ভুত নিয়ম দ্বারা প্রাভাবিত হয়েছ, যা স্বর্গরাজ্যে লেখা নেই, তারা প্রবেশ করতে পারবে না। 

৫৯.- জীবনের পরীক্ষায়, কেউ ঈশ্বর কে দেওয়া কথা রাখতে পারেনি; কারণ ঈশ্বরের আদেশ এবং ঈশ্বরের মহিমার ঐশ্বরিক ধারণা, বুঝতে ভুল হয়; অদ্ভুত চিন্তাধারা আসে সোনার নিয়ম থেকে, যা সমস্ত চিন্তার বিকার ঘটায়, পরীক্ষার দুনিয়ায়; যা ঈশ্বরের টা ভাগ করা উচিত হয়নি, এক কণাও নয়; কারণ কিছুই বিভক্ত ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ করা হয়নি; যা বিভক্ত তা স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে না।

৬০.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেক চিহ্ন আর তাবিজ পরা হয়েছিল; স্বর্গরাজ্যের ঐশ্বরিক নিয়ম দ্বারা, দুনিয়াকে সাবধান করা হয়; যারা ইশ্বরের ঐশ্বরিক মহরের চিহ্ন পরেনি, তারা আর স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; যদি মানুষের অধিকার অনুসারে ঐশ্বরিক আদেশর অনুরোধ না করা হত, স্বর্গ রাজ্যে ঢুকতে পারত। 

৬১.- জীবনের পরীক্ষায়, অনেক ব্যভিচার করেছে; এমন ঘটনার জন্য হার কমে যায়; কারণ কেউ ঈশ্বরের কাছে, এক মুহুর্ত ও ব্যভিচারের অনুরোধ করেনি; ব্যভিচার আলোর স্কোর ভাগ করে; কোন ব্যভিচার জীবনের পরীক্ষা পেরোতে পারে না, কেই আর স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করতে পারেনা; যারা ব্যভিচারের আকর্ষণ অনুভব করে, তারাই মানসিক প্রতিরোধের বিরোধিতা করে, স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; তারা নিজেদের অদ্ভুত অন্ধকার দ্বারা প্রাভাবিত হতে দিয়েছে তারা নয়।

৬২.- জীবনের পরীক্ষায়, সবাইকে মুখোমুখি হতে হয়, অদ্ভুত চিন্তা ধারার যা এসেছিল সোনার নিয়মের অদ্ভুত জীবন প্রণালী থেকে; মানসিক প্রতিরোখার সিমা, এই অদ্ভুত প্রভাবের বিরুদ্ধে, যা স্বর্গ রাজ্যে লেখা নেই, গন্য করা হয়ে ঐশ্বরিক অন্তিম বিচারের সময়; যারা নিজেদের প্রাভাবিত হতে দেয়েনি, রাজ্যের জন্য যা অদ্ভুত তার দ্বারা, তারাই আলোর স্কোর পেয়েছে; যারা অনুরোধ করেছে স্বর্গরাজ্যে যা অদ্ভুত তার দ্বারা প্রাভাবিত হতে, তারা আলোর স্কোর পায়নি।

৬৩.- জীবনের পরীক্ষায়, অনকে সত্যের অনুসন্ধান করেছে, অনেকে করেনি; যারা সত্যের অনুসন্ধান করেছে, তারা অনেক আলোর পয়েন্ট লাভ করেছে, যখন তারা অনুসন্ধান করেছে; যা ইশ্বরের তা অনুসন্ধের প্রতি সেকেন্ডের জন্য, আত্মা একটি করে আলোর স্কোর পেয়েছে; যারা কিছুই অনুসন্ধান করেনি, তারা কিছুই পায়েনি; স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে, কষ্ট করতে হয়; কারণ স্বর্গরাজ্যে কিছুই বিনামূল্যে পাওয়া যায় না; এটি ডিভাইন নীতিগর্ভ রূপক বলে ঘোষণা করা হয়েছে: কাজ করলে খেতে পাবে।  

৬৪.- যে বিশ্বাস করে না গোটা পৃথিবীটা তার নিজের দেশ সে স্বর্গ রাজ্যে প্রবেশ করার আরেকটি সুযোগ হারাবে; কারণ সে অনন্ত আলোর স্কোর প্রত্যাখান করেছে, যা সমগ্র পৃথিবীর, অণুর মোট সংখ্যার অনুরূপ; অনন্ত আলোর স্কোর, যেথেষ্ট ছিল, আত্মার অবার স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করার জন্য; যে শুধু একটি দেশ কে নিয়ের বলে মনে করে, তার আলোর স্কোর কম হয়; লেখা ছিল শুধু শয়তানই ভাগ করে; অদ্ভুত পৃথিবী যা দেশে বিভক্ত, শয়তানের কাজ।

৬৫.- পরীক্ষার দুনিয়ে, দুনিয়াটা অদ্ভুত চিন্তা ধারায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে যার অনুরোধ স্বর্গরাজ্যের কাছে কেউ করেনি; অদ্ভুত রীতি যা স্বর্গরাজ্যে লেখা নেই তা হল বিভক্ত হয়ে থাকা; করুর এটা হতে দেওয়া উচিত হয়েনি; যার এই অদ্ভুত নিদ্রায় নিদ্রাছন্ন তারা নিজেদের কাজ বিভক্ত করে; যে সব আত্মা এই অদ্ভুত কাজে নিযুক্ত হয়েছে তারা স্বর্গ রাজ্যে আর প্রবেশ করতে পারবে না; তথাকথিত বহুত্ববাদ বিভাগের মূল; এটা সত্যি বহুত্ববাদ মানুষের অধিকার; কিন্তু, জীবনের পরীক্ষায় বিভাজন নেই; মানুষকে জানতে হত বহুত্ববাদ কি ভাবে বেছে নিতে হয়।

৬৬.- জিবিনের পরীক্ষায়, অনেকেই তারা যে করণগুলি কে ন্যায্য মনে করেছিল সেগুলির পক্ষে দাঁড়িয়ে ছিল; কোনো কারণ ন্যায্য হয়ে যখন তার প্রতিরক্ষা করা হয় ঈশ্বরের ঐশ্বরিক গসপেলের ঐশিক চিন্তাধারার কথা ভেবে করা হয়; এই কারণ ছাড়া যে কোনো অন্য কারণ কে ঈশ্বরের ঐশ্বরিক বিচার অনুসারে অদ্ভূত কারণ বলে ধরা হবে।

৬৭.- জীবনের পরীক্ষা, বিশ্বাসের অনেক প্রকার ছিল; যারা বেশি সচিত্রী ছিল তারা বেশি আলোর পয়েন্ট অর্জন করে; যারা কম সচিত্র তারা আলোর কম পয়েন্ট অর্জন করেন; ঈশ্বরের কাছে বিশ্বাসের চূড়ান্ত প্রকার, হল যে বিশ্লেষণ নীতির সাথে সাথে বিজ্ঞান ও অন্তর্ভুক্ত করে; জীবনের পরীক্ষার ধর্ম, কেবল মাত্র নীতির উপর বিশ্বাসী ছিল; আরে একটি অদ্ভুত নৈতিক আদর্শ ছিল যা তার নিয়মে দ্বারা নিজেদের ভক্তদের বিভক্ত করত।

লেখক: আল্ফা এবং ওমেগা 

সৃষ্টিকর্তার সকল বিষয়বস্তু সার্বজনীন, যা কারো জন্যই স্বতন্ত্র নয়। 

তোমার প্রভুর প্রশংসা কর, সমস্ত পৃথিবীর কাছেও – স্তব ১০০। 

মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার সাথে সকলের ট্যালিপ্যাথিক বাণির মাধ্যমে সরাসরি মানসিক যোগাযোগ থাকবে।

ওই দৈববাণী শত বছরের অপেক্ষমান। 

দৈববাণী পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে; ইহা বিশ্বের সকল ভাষায় অনুবাদ করা হবে;  এবং এমন কোন অনুবাদক থাকবে না যে এই দৈববাণীতে সমর্থন করেনি, কেননা অনুবাদিত প্রতিটি এক একটি বর্ণের জন্য তারা আলোর সাফল্যাঙ্ক অর্জন করবে। 

মানব অনুবাদের কর্মসূচীতে স্বাগতম। 

আলফা বা প্রাথমিকভাবে আমরা মানবিক অনুবাদের সাথে আমরা পরিচয় করিয়ে দেব, যা স্প্যানিশ ভাষায় লিখিত ছিল। 

নক্ষত্র গবেষকরা এ অনুবাদ মূল্যায়ন করবে, যেন পরবর্তিতে এর মান আরো উন্নত করা যায়।

আপনি এক ক্লিকেই বইটি ডাউনলোড করতে পারবেন। 

আলফা ও ওমেগা বিশাল টেলিপ্যাথিক শাস্ত্রের রচয়িতা; ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত চিলি ও পেরুতে তারা ৪০০০ বাণী লিখেছেন। 

স্বর্গীয় বিজ্ঞানও একটি টেলিপ্যাথিক রচনা, যা ঈশ্বরের মেষশাবক দ্বারা চিহ্নিত। 

রহস্য উদ্ঘাটনের বইয়ে মোড়ানো কাগজ ও মেষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে (অধ্যায় ৫) 

স্বর্গীয় বিজ্ঞান সৃষ্টির সবকিছুর উৎপত্তি ব্যাখ্যা করেছে। এবং যা ঘটতে পারে, তাও ঘোষণা করেছে-

ঈশ্বরের মেষশাবকের দৈববাণী সম্পূর্ণ করতে তা মোটা কাঠের পাত ও পাতলা কাগজে লেখা হবে; যাতে পৃথিবীকে বাণী দেয়ার কাজ পূর্ণ হয়; বাণী সৃষ্টির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণনা করে; এবং এর জ্ঞানের কোন শেষ নেই। 

চুক্তিপত্রের দৈববাণীর দিকে দেখ; এর অর্থ হল পিতার শুধুমাত্র একজন দূতই এই ঈশ্বরের মেষশাবক বাণী লিখতে পারে। 

এ নতুন দৈববাণীটিই পবিত্র রচনার অনুমোদন।